ঢাকা ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য ও স্বাক্ষর জালিয়াতি  গভর্নিং বডি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

াগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজে কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে নিজপন্থী একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনুমোদন করিয়েছেন তিনি।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান কলেজ উন্নয়নের নামে গত কয়েক বছরে প্রায় ৪০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগের বিপরীতে প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে ১৫-১৮ লাখ টাকা করে আদায় করা হয়েছে, যার আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের কোনো হিসাব আজ পর্যন্ত কলেজ কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কলেজ পরিচালনায় একক কর্তৃত্ব কায়েম করেছেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে তাঁর স্বাক্ষর জাল করে নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার শিকদার মনিরুল ইসলাম নামক এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়ে অনুমোদন করান। যা আইনত সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে ২৫ জুন ২০২৫ তারিখে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষক, অভিভাবক ও রাজনৈতিক মহল।

এদিকে, এসব অনিয়ম ও হিসাব না দেওয়ার বিপরীতে ১৯ জুন অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন, যা নিয়ে আরেকটি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বোঝা যায়, তিনি একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে খুশি করে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করার অপচেষ্টা করছেন।

আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হোক।

স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে অনুমোদিত গভর্নিং বডি বাতিল করা হোক। কলেজে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ বাণিজ্য ও স্বাক্ষর জালিয়াতি  গভর্নিং বডি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৭:০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

াগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ডিগ্রি কলেজে কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে, কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে নিজপন্থী একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনুমোদন করিয়েছেন তিনি।
অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মফিজুর রহমান জানান, অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান কলেজ উন্নয়নের নামে গত কয়েক বছরে প্রায় ৪০ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগের বিপরীতে প্রত্যেক প্রার্থীর কাছ থেকে ১৫-১৮ লাখ টাকা করে আদায় করা হয়েছে, যার আনুমানিক পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের কোনো হিসাব আজ পর্যন্ত কলেজ কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কলেজ পরিচালনায় একক কর্তৃত্ব কায়েম করেছেন। সভাপতির অনুপস্থিতিতে তাঁর স্বাক্ষর জাল করে নড়াইল জেলার লোহাগাড়া উপজেলার শিকদার মনিরুল ইসলাম নামক এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়ে অনুমোদন করান। যা আইনত সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে ২৫ জুন ২০২৫ তারিখে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কলেজের বর্তমান গভর্নিং বডির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষক, অভিভাবক ও রাজনৈতিক মহল।

এদিকে, এসব অনিয়ম ও হিসাব না দেওয়ার বিপরীতে ১৯ জুন অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন, যা নিয়ে আরেকটি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বোঝা যায়, তিনি একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে খুশি করে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করার অপচেষ্টা করছেন।

আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, কলেজে নিয়োগ বাণিজ্যের তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হোক।

স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে অনুমোদিত গভর্নিং বডি বাতিল করা হোক। কলেজে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসক নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।


প্রিন্ট