ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

পাহাড়ে সচেতনতার আলো ছড়াতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মাসব্যাপী উদ্যোগ

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি-

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ থেকে শুরু করেছে মাসব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচি, যা চলবে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। দীর্ঘ তিন মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ( ৭ডিসেম্বর) বান্দরবান সাঙ্গু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক।
লিফলেট বিতরণকালে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদমূলক উসকানি ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা পাহাড়ে বসবাস করি, আমরা সবাই পাহাড়ি। কিন্তু একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ইতিহাস বললেই জানা যায়— পাহাড়ে প্রথম বসতি স্থাপন করেছেন বাঙালীরাই। অথচ দেশের ৬১ জেলার নিয়ম এক হলেও তিন পার্বত্য জেলার নিয়ম আলাদা। এটি যেন এক দেশের ভেতরে দুই শাসনব্যবস্থা। পাহাড়ে বসবাসকারী সবাই যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে— সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
লিফলেটে শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের লিফলেটে উল্লেখ করা হয়েছে— জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমি সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান,নিরাপত্তা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা ডিজিটাল জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
দিনব্যাপী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহীন আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অং সি হ্লা মারমা, এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ সচেতনতা কর্মসূচি পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানুষে মানুষে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে।।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

পাহাড়ে সচেতনতার আলো ছড়াতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মাসব্যাপী উদ্যোগ

আপডেট টাইম : ১২:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি-

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ থেকে শুরু করেছে মাসব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচি, যা চলবে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। দীর্ঘ তিন মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ( ৭ডিসেম্বর) বান্দরবান সাঙ্গু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক।
লিফলেট বিতরণকালে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদমূলক উসকানি ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা পাহাড়ে বসবাস করি, আমরা সবাই পাহাড়ি। কিন্তু একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ইতিহাস বললেই জানা যায়— পাহাড়ে প্রথম বসতি স্থাপন করেছেন বাঙালীরাই। অথচ দেশের ৬১ জেলার নিয়ম এক হলেও তিন পার্বত্য জেলার নিয়ম আলাদা। এটি যেন এক দেশের ভেতরে দুই শাসনব্যবস্থা। পাহাড়ে বসবাসকারী সবাই যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে— সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
লিফলেটে শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের লিফলেটে উল্লেখ করা হয়েছে— জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমি সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান,নিরাপত্তা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা ডিজিটাল জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
দিনব্যাপী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহীন আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অং সি হ্লা মারমা, এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ সচেতনতা কর্মসূচি পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানুষে মানুষে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে।।


প্রিন্ট