ঢাকা ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

পাহাড়ে সচেতনতার আলো ছড়াতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মাসব্যাপী উদ্যোগ

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি-

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ থেকে শুরু করেছে মাসব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচি, যা চলবে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। দীর্ঘ তিন মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ( ৭ডিসেম্বর) বান্দরবান সাঙ্গু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক।
লিফলেট বিতরণকালে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদমূলক উসকানি ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা পাহাড়ে বসবাস করি, আমরা সবাই পাহাড়ি। কিন্তু একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ইতিহাস বললেই জানা যায়— পাহাড়ে প্রথম বসতি স্থাপন করেছেন বাঙালীরাই। অথচ দেশের ৬১ জেলার নিয়ম এক হলেও তিন পার্বত্য জেলার নিয়ম আলাদা। এটি যেন এক দেশের ভেতরে দুই শাসনব্যবস্থা। পাহাড়ে বসবাসকারী সবাই যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে— সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
লিফলেটে শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের লিফলেটে উল্লেখ করা হয়েছে— জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমি সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান,নিরাপত্তা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা ডিজিটাল জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
দিনব্যাপী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহীন আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অং সি হ্লা মারমা, এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ সচেতনতা কর্মসূচি পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানুষে মানুষে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে।।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

পাহাড়ে সচেতনতার আলো ছড়াতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মাসব্যাপী উদ্যোগ

আপডেট টাইম : ১২:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি-

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট ৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ থেকে শুরু করেছে মাসব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচি, যা চলবে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। দীর্ঘ তিন মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার ( ৭ডিসেম্বর) বান্দরবান সাঙ্গু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়। কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক।
লিফলেট বিতরণকালে ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকল্প নেই। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদমূলক উসকানি ও নেতিবাচক রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা পাহাড়ে বসবাস করি, আমরা সবাই পাহাড়ি। কিন্তু একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ইতিহাস বললেই জানা যায়— পাহাড়ে প্রথম বসতি স্থাপন করেছেন বাঙালীরাই। অথচ দেশের ৬১ জেলার নিয়ম এক হলেও তিন পার্বত্য জেলার নিয়ম আলাদা। এটি যেন এক দেশের ভেতরে দুই শাসনব্যবস্থা। পাহাড়ে বসবাসকারী সবাই যেন সমান অধিকার ভোগ করতে পারে— সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
লিফলেটে শান্তি, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির বার্তা
সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের লিফলেটে উল্লেখ করা হয়েছে— জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমি সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান,নিরাপত্তা ও সুশাসন শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন বৈষম্য দূরীকরণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা ডিজিটাল জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
দিনব্যাপী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, কেন্দ্রীয় সদস্য শাহীন আলম, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অং সি হ্লা মারমা, এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ সচেতনতা কর্মসূচি পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানুষে মানুষে বিশ্বাস আরও দৃঢ় করবে।।