ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে বিএনপির সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘটনা এক, ব্যাখ্যা ভিন্ন: শরীয়তপুরে জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শুরু সাংগ্রাই উৎসব কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষক মাওলা হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আপডেট টাইম : ১২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।