ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে বিএনপির সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী গাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ঘটনা এক, ব্যাখ্যা ভিন্ন: শরীয়তপুরে জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় শুরু সাংগ্রাই উৎসব কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষক মাওলা হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে ক্লাবঘর নির্মাণের অভিযোগ

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি |
নাটোরের গুরুদাসপুরের সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ক্লাবঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মশিন্দার শিকারপাড়ার নুহুর মোড়ে স্থানীয় বেশ ক’জন ব্যক্তি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ঘর নির্মান করছেন। সত্যাতা পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার নুহুর মোড়ে সরকারী জায়গা দখল করে ‘জিয়া পরিষদ’ নামে একটি ক্লাব ঘর নির্মান করছেন আব্দুস সাত্তার,আব্দুল বারী ও মাসুদ রানা আক্কেলের নেতৃত্বে স্থানীয়রা। এর আগে গত বছরের ১৩ আগষ্ট ওই ক্লাব নির্মান শুরু হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে কাজ বন্ধ করে নোটিশ জারি করেন। সে আদেশ অমান্য করে তারা পুনঃকাজ শুরু করলে উপজেলা প্রশাসন আবার সে কাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয় নুর সরদার (৭০) জানান, ক্লাবঘর নির্মানের স্থানটি একসময় সর্বসাধারনের চলাচলের কাচা রাস্তা ছিলো। নিচু ও বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধ থাকায় তাঁর ব্যক্তি জমি দিয়ে জনগন চলাচল করতো। পরবর্তীতে তাঁর জায়গার ওপর পাকা রাস্তা নির্মান হলে পুর্বের রাস্তা পরিত্যাক্ত রয়ে যায়। তিনি ক্রয়কৃত জমির পরিবর্তে সরকারী ওই সম্পত্তি বুঝে দিতে এবং ক্লাবঘর নির্মান বন্ধে আবেদন করেছেন। ক্লাব নির্মান কাজে জড়িত মাসুদ রানা আক্কেল জানান,অভিযুক্ত ওই স্থানে ১৯৯৮ সাল থেকে একটি ক্লাব ঘর ছিলো। গত বছর জরাজীর্ণ ওই ক্লাব ‘জিয়া পরিষদ’ নাম দিয়ে নতুনভাবে পাকা ঘর নির্মানের উদ্যোগ দিলে নুর সরদারের আবেদনে উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ ও অপসারনের নিদের্শ দেন। ওই কাজই আবার তারা শুরু করেছেন। তবে জায়গাটি সরকারী।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, জায়গাটি সরকারী বিধায় গতবছর কাজ বন্ধ ও অপসারনের নিদের্শ দেয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে পুনরায় কাজ শুরু করলে সেটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে ক্লাবঘর নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১২:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি |
নাটোরের গুরুদাসপুরের সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ক্লাবঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মশিন্দার শিকারপাড়ার নুহুর মোড়ে স্থানীয় বেশ ক’জন ব্যক্তি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ঘর নির্মান করছেন। সত্যাতা পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

শুক্রবার(২০ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার নুহুর মোড়ে সরকারী জায়গা দখল করে ‘জিয়া পরিষদ’ নামে একটি ক্লাব ঘর নির্মান করছেন আব্দুস সাত্তার,আব্দুল বারী ও মাসুদ রানা আক্কেলের নেতৃত্বে স্থানীয়রা। এর আগে গত বছরের ১৩ আগষ্ট ওই ক্লাব নির্মান শুরু হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে কাজ বন্ধ করে নোটিশ জারি করেন। সে আদেশ অমান্য করে তারা পুনঃকাজ শুরু করলে উপজেলা প্রশাসন আবার সে কাজ বন্ধ করে দেয়।

স্থানীয় নুর সরদার (৭০) জানান, ক্লাবঘর নির্মানের স্থানটি একসময় সর্বসাধারনের চলাচলের কাচা রাস্তা ছিলো। নিচু ও বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধ থাকায় তাঁর ব্যক্তি জমি দিয়ে জনগন চলাচল করতো। পরবর্তীতে তাঁর জায়গার ওপর পাকা রাস্তা নির্মান হলে পুর্বের রাস্তা পরিত্যাক্ত রয়ে যায়। তিনি ক্রয়কৃত জমির পরিবর্তে সরকারী ওই সম্পত্তি বুঝে দিতে এবং ক্লাবঘর নির্মান বন্ধে আবেদন করেছেন। ক্লাব নির্মান কাজে জড়িত মাসুদ রানা আক্কেল জানান,অভিযুক্ত ওই স্থানে ১৯৯৮ সাল থেকে একটি ক্লাব ঘর ছিলো। গত বছর জরাজীর্ণ ওই ক্লাব ‘জিয়া পরিষদ’ নাম দিয়ে নতুনভাবে পাকা ঘর নির্মানের উদ্যোগ দিলে নুর সরদারের আবেদনে উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ ও অপসারনের নিদের্শ দেন। ওই কাজই আবার তারা শুরু করেছেন। তবে জায়গাটি সরকারী।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, জায়গাটি সরকারী বিধায় গতবছর কাজ বন্ধ ও অপসারনের নিদের্শ দেয়া হয়। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে পুনরায় কাজ শুরু করলে সেটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।