ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ তাড়াইলে সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বর্ণ ধর্ম দেখে নয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা পাবে ত্রাণ সহায়তা: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ ডিসি-এসপির দ্রুত পদক্ষেপে খাগড়াছড়িতে বন্ধ হল জুয়ার আসর জয়পুরহাটে ধানক্ষেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার লগআউট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের স্টুডিও অফিসের আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুভ উদ্বোধন পঞ্চগড়ে পুলিশের মাথা ফাটিয়ে পালালো গরু চোর কুমিল্লার মুরাদনগরে মা–মেয়ের বিষপানে আত্মহত্যা

নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করায় উপপরিচালকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
নারী দিবসে অফিসের নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের (অ.দা.) একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী নারীসহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিরা। সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনকারী জানান, ২০২০ সালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান । পরে ক্রমানয়ে দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবাদ করতে গেলেই লালকালি দেয়ার ভয়ভীতি দেখানো হতো। কর্মচারীদের গায়েও হাত তোলেন তিনি। এছাড়া চারটি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। গত ৮ মার্চ নারী দিবসে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটু দেরী পৌছানোয় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক লৃনা বেগমের গায়ে হাত তোলেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। এমনকি অংশগ্রহণকারী নারীদেরও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারী দিবসের অনুষ্ঠানেই ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ তোলেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে কার্যালয়ে ফিরে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিবাদ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তারা আরও জানান, গত বছরের ২৭ নভেম্বর চাপাইনবাবগঞ্জে তার বদলি হলে ক্ষমতার দাপটে এখনো তিনি চারটি অফিসে দিব্যি রাজত্ব করছেন।

এ সময় তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবি করেন। তা না হলে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কোন অফিসে কেউ অফিস করবেন না বলে হুশিয়ারি দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভুক্তভোগী প্রশিক্ষক লুনা বেগম, হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন, প্রশিক্ষক জান্নাতুল আয়শা জেলি, অফিস সহায়ক মকবুল হোসেন, বোদা উপজেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক আক্তারুল ইসলাম, দেবীগঞ্জ কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম ও সাবেক সঙ্গীত শিক্ষক জুথি আক্তার।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ

নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করায় উপপরিচালকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৩:০০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
নারী দিবসে অফিসের নারী কর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের (অ.দা.) একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী নারীসহ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারিরা। সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনকারী জানান, ২০২০ সালে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান । পরে ক্রমানয়ে দেবীগঞ্জ ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তার কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবাদ করতে গেলেই লালকালি দেয়ার ভয়ভীতি দেখানো হতো। কর্মচারীদের গায়েও হাত তোলেন তিনি। এছাড়া চারটি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেন বলেও অভিযোগ তোলেন তারা। গত ৮ মার্চ নারী দিবসে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে একটু দেরী পৌছানোয় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষক লৃনা বেগমের গায়ে হাত তোলেন একেএম ওয়াহিদুজ্জামান। এমনকি অংশগ্রহণকারী নারীদেরও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করেন। নারী দিবসের অনুষ্ঠানেই ভুক্তভোগী নারীরা অভিযোগ তোলেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক বরাবরে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠান শেষে কার্যালয়ে ফিরে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা প্রতিবাদ করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তারা আরও জানান, গত বছরের ২৭ নভেম্বর চাপাইনবাবগঞ্জে তার বদলি হলে ক্ষমতার দাপটে এখনো তিনি চারটি অফিসে দিব্যি রাজত্ব করছেন।

এ সময় তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে একেএম ওয়াহিদুজ্জামানকে অপসারণের দাবি করেন। তা না হলে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কোন অফিসে কেউ অফিস করবেন না বলে হুশিয়ারি দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ভুক্তভোগী প্রশিক্ষক লুনা বেগম, হিসাবরক্ষক সিলভিয়া নাসরিন, প্রশিক্ষক জান্নাতুল আয়শা জেলি, অফিস সহায়ক মকবুল হোসেন, বোদা উপজেলা কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক আক্তারুল ইসলাম, দেবীগঞ্জ কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক সাইফুল ইসলাম ও সাবেক সঙ্গীত শিক্ষক জুথি আক্তার।