ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিক দিবস সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের লিফলেট বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে নানা আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত মির্জাগঞ্জে কৃষকের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কাঠের বাক্স খুলতেই বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণ: ভ্যানচালক আহত গাজীপুর সিটির উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে নানা আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে একই দিনে দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজধানীর রূপনগরে কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং, ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত হজযাত্রীদের সাথে বিমানবন্দরে ধর্ম মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক দিবস সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের লিফলেট বিতরণ

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট টাইম : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট