ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিক দিবস সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের লিফলেট বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ বান্দরবানে নানা আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত মির্জাগঞ্জে কৃষকের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত কাঠের বাক্স খুলতেই বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণ: ভ্যানচালক আহত গাজীপুর সিটির উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে নানা আয়োজনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে একই দিনে দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রাজধানীর রূপনগরে কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং, ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠিত হজযাত্রীদের সাথে বিমানবন্দরে ধর্ম মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

তেল-গ্যাসের অস্থিরতায় ইরানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে ইরানি তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব জরুরি মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়তে পারে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রশাসনের অবগতিতেই ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

প্রসঙ্গত, ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বাজার চরম অস্থির হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে।

তেলবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মানদণ্ড তেল (যেমন- ওমান ও দুবাই ক্রুড) এরই মধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট না হলেও ২০০ ডলার এখন আর দূরের নয়।

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম প্রায় ১৪০ শতাংশ বেড়ে প্রতি থার্ম (২ দশমিক ৮ ঘনমিটার) ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স বা ২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে দেশটিতে গ্যাসের দাম আর কখনো এতটা বাড়েনি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিক দিবস সামনে রেখে পঞ্চগড়ে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের লিফলেট বিতরণ

তেল-গ্যাসের অস্থিরতায় ইরানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৩:২৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল করতে ইরানি তেলের ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব জরুরি মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়তে পারে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রশাসনের অবগতিতেই ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

প্রসঙ্গত, ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।

জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তেহরান। ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের বাজার চরম অস্থির হয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা এক সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে গ্যাসের দামও প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকলে জ্বালানির দাম আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে।

তেলবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মানদণ্ড তেল (যেমন- ওমান ও দুবাই ক্রুড) এরই মধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট না হলেও ২০০ ডলার এখন আর দূরের নয়।

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যে পাইকারি গ্যাসের দাম প্রায় ১৪০ শতাংশ বেড়ে প্রতি থার্ম (২ দশমিক ৮ ঘনমিটার) ১৭১ দশমিক ৩৪ পেন্স বা ২ দশমিক ২৯ ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে দেশটিতে গ্যাসের দাম আর কখনো এতটা বাড়েনি।


প্রিন্ট