ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫২টি পরিবারের মাঝে ষাঁড় ও বকনা গরু ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার  (১৭এপ্রিল) বেলা ১২:৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগিদের মাঝে এসব ষাঁড় ও বকনা গরু বিতরণ করা হয়।
উপকরণের মধ্যে ছিল গরুর, ঘর নির্মাণের ৫ টি টিন, ৪টি ঘরের খুঁটি ও দুই টি করে রাবার ম্যাট সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব গরু বিতরণ করেন৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন  উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র রায় ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল  চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, আলামপুর ইউনিয়নের হোসনে আরা, মামুদপুর ইউনিয়নের মিলন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, সমাজের পিছিয়ে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসার জন্য  গবাদি পশু দ্বারা তাদের ভাগ্যের উন্নয়নের চাকা ঘোরাতে সম্ভব।
তিনি আরো বলেন যে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তারা যেন পরবর্তীতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ রেখে, নিজেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারে। যদি কোন গরুর রোগা বা আক্রান্ত বা  অসুস্থ হয়। সেই লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের সুবিধাভোগী আদিবাসী নারী সাগরিকা বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে  গরু টিন আর ঘরের খুঁটি দেওয়া হয়েছে। সেটি পেয়ে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। একটি বকনা গরু থেকে যেন আমি আরো অনেক গরু পালন করতে পারি৷
স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় যারা  সুবিধা পেয়েছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী  সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এর জলন্ত উদাহরণ বড়তারা ইউনিয়নের সাগরিকা বিশ্বাস। সেই লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ দপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই বিতরণের পূর্বেও বকনা গরু, মুরগি, ভেড়া ও ষাড় গরু বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ

আপডেট টাইম : ০৫:৩২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫২টি পরিবারের মাঝে ষাঁড় ও বকনা গরু ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার  (১৭এপ্রিল) বেলা ১২:৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগিদের মাঝে এসব ষাঁড় ও বকনা গরু বিতরণ করা হয়।
উপকরণের মধ্যে ছিল গরুর, ঘর নির্মাণের ৫ টি টিন, ৪টি ঘরের খুঁটি ও দুই টি করে রাবার ম্যাট সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব গরু বিতরণ করেন৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন  উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র রায় ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল  চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, আলামপুর ইউনিয়নের হোসনে আরা, মামুদপুর ইউনিয়নের মিলন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, সমাজের পিছিয়ে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসার জন্য  গবাদি পশু দ্বারা তাদের ভাগ্যের উন্নয়নের চাকা ঘোরাতে সম্ভব।
তিনি আরো বলেন যে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তারা যেন পরবর্তীতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ রেখে, নিজেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারে। যদি কোন গরুর রোগা বা আক্রান্ত বা  অসুস্থ হয়। সেই লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের সুবিধাভোগী আদিবাসী নারী সাগরিকা বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে  গরু টিন আর ঘরের খুঁটি দেওয়া হয়েছে। সেটি পেয়ে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। একটি বকনা গরু থেকে যেন আমি আরো অনেক গরু পালন করতে পারি৷
স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় যারা  সুবিধা পেয়েছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী  সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এর জলন্ত উদাহরণ বড়তারা ইউনিয়নের সাগরিকা বিশ্বাস। সেই লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ দপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই বিতরণের পূর্বেও বকনা গরু, মুরগি, ভেড়া ও ষাড় গরু বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।