ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জমি দিয়ে নিয়োগ পেলেও স্কুল থেকে বিতাড়িত দুই বোন রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান

মনপুরায় আলাউদ্দীন হত্যা মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মনপুরা প্রতিনিধি-

ভোলার মনপুরায় আলোচিত ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার  (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দীন স্থানীয় ফকিরহাট বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিচার শিশু আদালতে চলমান থাকায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিরুদ্ধে এ মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এ আলামতকেই মামলার প্রধান প্রমাণ হিসেবে গণ্য করে আদালত। যদিও হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি মো. জয়নাল, এস ও কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন, “দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আলোচিত এ হত্যা মামলার এক আসামীর বিরুদ্ধে আদালতের রায় প্রমাণ করেছে, অপরাধীরা যে–ই হোক, আইনের চোখে কেউ ছাড় পায় না।”

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান

মনপুরায় আলাউদ্দীন হত্যা মামলার আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

মনপুরা প্রতিনিধি-

ভোলার মনপুরায় আলোচিত ব্যবসায়ী আলাউদ্দীন হত্যা মামলায় এক আসামীর যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার  (২৭ আগস্ট) দুপুরে চরফ্যাশন অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক শওকত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, মনপুরার চর ফৈজউদ্দীন গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাউদ্দীন স্থানীয় ফকিরহাট বাজারে সার ও কীটনাশকের ব্যবসার পাশাপাশি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট শাখা পরিচালনা করতেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়িক বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের ভাই জাফর হোসেন বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে সাতজনের বিরুদ্ধে দুটি চার্জশিট দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিন অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিচার শিশু আদালতে চলমান থাকায় চারজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামীর বিরুদ্ধে এ মামলার বিচারকাজ পরিচালিত হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া আসামি আবু কালাম হত্যায় ব্যবহৃত দুইটি ছুরি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দেন। এ আলামতকেই মামলার প্রধান প্রমাণ হিসেবে গণ্য করে আদালত। যদিও হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রায়ে আদালত আসামি মো. আবু কালাম (৩৯)-কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আসামি মো. জয়নাল, এস ও কালাম ও মো. রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট হযরত আলী হিরণ বলেন, “দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আলোচিত এ হত্যা মামলার এক আসামীর বিরুদ্ধে আদালতের রায় প্রমাণ করেছে, অপরাধীরা যে–ই হোক, আইনের চোখে কেউ ছাড় পায় না।”