ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিসিক এর জিএম/পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? চেয়ারম্যান,এমডি কারাগারে: মব গোষ্ঠির দখলে মোহনা টিভি! বান্দরবানে পার্বত্য জেলা পরিষদ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সুয়ালক সুপার স্টার যুব স্পোর্টিং ক্লাব গুজবে কান দেবেন না, সন্তানকে টিকা দিন- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পৌনে দুই লাখ শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলার টিকা ফসলি জমিতে অবৈধ ভরাট: ইউরোপা রয়েল সিটির নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে বিএনপির সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিক এর জিএম/পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ