ঢাকা ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ


প্রিন্ট