ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা! চাকুরীর বয়স শেষ তবুও প্রধান প্রকৌশলী হতে মরিয়া গণপূর্তের আবুল খায়ের! গাজীপুরে সিটি কর্পোরেশন উদ্দোগে পরিবেশবান্ধব মশক নিধন ওষুধ প্রয়োগ শুরু রাজাপুরে বিএসটিআই অনুমোদনহীন পণ্য জব্দ, গোডাউন মালিককে জরিমানা নলছিটিতে পৃথক অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ আটক ৪ গাজীপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় মারধর: যুবদল নেতা বহিষ্কার জয়পুরহাটে ডিবির পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার নারী ব্যবসায়ীসহ দুই মাদক কারবারি কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান 

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মিরপুরে নিউ লন্ডন প্যালেস আবাসিক হোটেলে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক ও দেহব্যবসা!

জাতীয় মেধায় উজ্জ্বল নক্ষত্র: মানবিক ডাক্তার হওয়ার স্বপ্নে সাবিহা ইসলাম

আপডেট টাইম : ১২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আয়নাল হক, গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি-
নাটোরের গুরুদাসপুরে এক গর্বিত মুখ সাবিহা ইসলাম। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে শিক্ষা ও মেধার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সে। সাবিহা ইসলামের পিতা মো. শহিদুল ইসলাম ও মাতা ইসমেতারা খাতুন।

২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ১২৬৬ নম্বর পেয়ে উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে সাবিহা। এরপর ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ অর্জনের পাশাপাশি আবারও উপজেলা পর্যায়ে প্রথম হয়ে নিজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সাবিহা ইসলাম সমগ্র বাংলাদেশে মেধা তালিকায় ২৩০তম স্থান অর্জন করে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ঐতিহ্যবাহী স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে মেধা তালিকার ২২৭তম পর্যন্ত ভর্তি সম্পন্ন হওয়ায়, সাবিহা এখনো আশাবাদী—তার মেধা ও অবস্থানের ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাবিহা ইসলাম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে চাই। শুধু ভালো চিকিৎসক নয়, একজন ভালো মানুষ হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার স্বপ্ন।”
সাবিহার পারিবারিক পরিবেশও শিক্ষাবান্ধব। তার বড় বোন ইতোমধ্যে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। আর তার বাবা মো. শহিদুল ইসলাম একজন কলেজের প্রভাষক।

মেয়ের সাফল্যে গর্বিত বাবা বলেন,
“আমি চাই আমার মেয়ে একজন আদর্শ মানুষ হয়ে উঠুক। একজন মানবিক ডাক্তার হিসেবে যেন সে সততা, দায়িত্ববোধ ও মমতা নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারে—এই কামনাই করি।”

সাবিহা ইসলামের এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, পুরো উপজেলা ও জেলার জন্য গর্বের। তার অর্জন আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।


প্রিন্ট