ঢাকা ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
স্বামীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলছে; নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রার অভিযোগ! উত্তর মহানগর বিএনপি নেতৃত্বে সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় হাজী ইউসুফ একই সঙ্গে মাদ্রাসা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির অভিযোগ, গোডাউন সিলগালা মাগুরায় আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে পুলিশ বিবাদীর ঘর তুলে দিলেন গ্যাড়াকলে সাভারের বনগাঁও ইউপি সচিব আবুল কালাম আজাদ হরিণাকুন্ডুতে আনসার ও ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট ফরিদপুরে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মধ্যরাতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ!

পঞ্চগড়ে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষ উদ্বোধন

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট নিরসন, সময় অপচয় রোধ ও অতিরিক্ত খরচ রোধে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ঘাটিয়ার পাড়া গ্রামের ফসলি মাঠে রাইসপ্লান্টারের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপণ করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক সাবেত আলী।
এর আগে, এ উপলক্ষে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই সমাবেশের আয়োজন করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) সুবত চন্দ্র রায় অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) বাসুদেব চন্দ্র বর্মন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী, কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান প্রমূখ।
জানা গেছে, ধান চাষাবাদে নতুন ও সহজ একটি পদ্ধতি হলো ‘সমলয়’। এ পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত, সবই এক সময়ে একযোগে করা হবে। স্বল্প মানুষের সাহায্যে কাজটা করবে যন্ত্র। জমির অপচয় রোধে এ পদ্ধতিতে প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে লাগানো হয় ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। তারপর রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে রোপণ করা হয় ধানের চারা। একটা ট্রান্সপ্ল্যান্টার এক ঘণ্টায় এক একর জমিতে চারা লাগাতে পারে, এতে শ্রমিকের খরচ বেঁচে যায়। চারা লাগানো যায় একই গভীরতায় সমানভাবে। এছাড়া একই সময় রোপণ করায় নির্দিষ্ট এলাকায় সব ধান পাকেও একই সময়। মেশিন দিয়ে একই সঙ্গে সব ধান কাটা ও মাড়াই করা যায়।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী জানান, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় এই পদ্ধতিতে ঘাটিয়ারপাড়া গ্রামের ৬৫ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস

স্বামীর বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চলছে; নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রার অভিযোগ!

পঞ্চগড়ে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষ উদ্বোধন

আপডেট টাইম : ০৩:৩২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
পঞ্চগড়ে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকট নিরসন, সময় অপচয় রোধ ও অতিরিক্ত খরচ রোধে সমলয় পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষাবাদের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের ঘাটিয়ার পাড়া গ্রামের ফসলি মাঠে রাইসপ্লান্টারের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপণ করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক সাবেত আলী।
এর আগে, এ উপলক্ষে আয়োজিত এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই সমাবেশের আয়োজন করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) সুবত চন্দ্র রায় অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) বাসুদেব চন্দ্র বর্মন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী, কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল প্রধান প্রমূখ।
জানা গেছে, ধান চাষাবাদে নতুন ও সহজ একটি পদ্ধতি হলো ‘সমলয়’। এ পদ্ধতিতে বীজতলা থেকে ফসল কাটা পর্যন্ত, সবই এক সময়ে একযোগে করা হবে। স্বল্প মানুষের সাহায্যে কাজটা করবে যন্ত্র। জমির অপচয় রোধে এ পদ্ধতিতে প্রচলিত রীতিতে বীজতলা তৈরি না করে প্লাস্টিকের ফ্রেম বা ট্রেতে লাগানো হয় ধানের বীজ। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে চারা হয়। তারপর রাইস ট্রান্সপ্ল্যান্টারের মাধ্যমে রোপণ করা হয় ধানের চারা। একটা ট্রান্সপ্ল্যান্টার এক ঘণ্টায় এক একর জমিতে চারা লাগাতে পারে, এতে শ্রমিকের খরচ বেঁচে যায়। চারা লাগানো যায় একই গভীরতায় সমানভাবে। এছাড়া একই সময় রোপণ করায় নির্দিষ্ট এলাকায় সব ধান পাকেও একই সময়। মেশিন দিয়ে একই সঙ্গে সব ধান কাটা ও মাড়াই করা যায়।
পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুন্নবী জানান, সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনার আওতায় এই পদ্ধতিতে ঘাটিয়ারপাড়া গ্রামের ৬৫ জন কৃষকের ৫০ একর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হচ্ছে।


প্রিন্ট