ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ মন্ত্রীর সংস্কার রুঁখতে আওয়ামী-জামায়াত সিন্ডিকেটের বহুমুখি চক্রান্ত! গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়নে ১২০ কোটি টাকা বাণিজ্যে পঞ্চগড়ে সংরক্ষণব্যবস্থা থাকতেও ২৬ বছরের শিক্ষার্থীদের সনদ-নথি প্রধান শিক্ষকের বাসায়! জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় দারুল মাজিদ মাহমুদিয়া মাদ্রাসার তিন শিক্ষার্থীর সাফল্য বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন-গ্রাউসের প্রকল্প অবহিতকরণ সভা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার বির্তরকিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রোমান হাওলাদার গাজীপুরের টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন পাঁচবিবিতে অটোচালককে গলা কেটে হত্যা, অটো উধাও

তারাগঞ্জে দেনা মেটাতে বাড়ি লুটতে গিয়ে করা হয় হত্যা 

রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার তিন দিন আগে তাদের বাড়িতে টাইলসের কাজ করেন মোরছালিন নামে এক ব্যক্তি। তিনিই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত ৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের ছেলে শোভন বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত বালাপাড়া গ্রাম থেকে মোরছালিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত মোরছালিন তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

গ্রেপ্তারের পর মোরছালিনকে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশের বাড়িতে যায় পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যে বাড়ির পেছনের পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালের রক্তমাখা হাতল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন জানান, হত্যাকাণ্ডের তিন দিন আগে মোরছালিন ওই বাড়িতে টাইলসের কাজ করেন। এ সময় তার ধারণা হয়, বাড়িতে অনেক টাকা-পয়সা আছে। তার কিছু ধারদেনা ছিল। ওই বাড়ি থেকে কিছু টাকা পয়সা লুট করতে পারলে দেনা শোধ করতে পারবেন—এমন পরিকল্পনা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন মোরছালিন।

পুলিশ সুপার জানান, মোরছালিন সঙ্গে একটি কুড়াল নিয়ে আসেন। বাড়িতে ঢুকে প্রথমে সুবর্ণাকে হত্যা করেন, পরে যোগেশকে। এরপর বাড়িতে থাকা একটি দা দিয়ে স্টিলের আলমারি ভাঙেন। তবে সেখানে কোনো টাকা পাননি বলে দাবি করেছেন। পরে বাড়ির ভেতরে থাকা গাছ বেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। যাওয়ার সময় কুড়ালটি পাশের পুকুরে ফেলে দিয়ে যান।

মারুফাত হুসাইন বলেন, ‘এ কাজ সে একা করেছে। অন্য কেউ এর সঙ্গে জড়িত নেই।’


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ

তারাগঞ্জে দেনা মেটাতে বাড়ি লুটতে গিয়ে করা হয় হত্যা 

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার তিন দিন আগে তাদের বাড়িতে টাইলসের কাজ করেন মোরছালিন নামে এক ব্যক্তি। তিনিই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত ৭ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দম্পতি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের ছেলে শোভন বাদী হয়ে তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত বালাপাড়া গ্রাম থেকে মোরছালিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত মোরছালিন তারাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি টাইলস মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

গ্রেপ্তারের পর মোরছালিনকে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশের বাড়িতে যায় পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যে বাড়ির পেছনের পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালের রক্তমাখা হাতল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন জানান, হত্যাকাণ্ডের তিন দিন আগে মোরছালিন ওই বাড়িতে টাইলসের কাজ করেন। এ সময় তার ধারণা হয়, বাড়িতে অনেক টাকা-পয়সা আছে। তার কিছু ধারদেনা ছিল। ওই বাড়ি থেকে কিছু টাকা পয়সা লুট করতে পারলে দেনা শোধ করতে পারবেন—এমন পরিকল্পনা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন মোরছালিন।

পুলিশ সুপার জানান, মোরছালিন সঙ্গে একটি কুড়াল নিয়ে আসেন। বাড়িতে ঢুকে প্রথমে সুবর্ণাকে হত্যা করেন, পরে যোগেশকে। এরপর বাড়িতে থাকা একটি দা দিয়ে স্টিলের আলমারি ভাঙেন। তবে সেখানে কোনো টাকা পাননি বলে দাবি করেছেন। পরে বাড়ির ভেতরে থাকা গাছ বেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। যাওয়ার সময় কুড়ালটি পাশের পুকুরে ফেলে দিয়ে যান।

মারুফাত হুসাইন বলেন, ‘এ কাজ সে একা করেছে। অন্য কেউ এর সঙ্গে জড়িত নেই।’


প্রিন্ট