ঢাকা ১০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নরসিংদীতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ জামায়াত-ফ্যাসিস্ট চক্রের যোগসাজশে গভীর চক্রান্ত! দারুস সালামে চাঁদাবাজির অভিযোগে অর্থদণ্ড, পুলিশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ! উপ-সচিবের ভাই ফারুক আহমেদকে সার ডিলার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষে ফ্যাসিবাদের দোসর উপপরিচালক শাহরিয়ার আল হাসান এর অসীম দৌরাত্ম! মাগুরায় দীর্ঘ ১৪ বছর জাল সনদপত্র ও বয়স কমিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে সরকারি চাকরির অভিযোগ মির্জাগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে যুক্ত হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ বই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দুর্গাপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার শারীরিক অসুস্থার জন্য বৃহস্পতিবার অফিসে আসতে পারেননি আ.লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে জামায়াতের আমির মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে: রাশেদ খান

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানি প্রকল্প বাস্তবায়ন

আপডেট টাইম : ০৪:৫২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃ সুমন-
রাঙ্গামাটির জুড়াছড়ি উপজেলায় দুর্গম পাড়ায় সেনাবাহিনীর বিশুদ্ধ পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

গত ২৫ নভেম্বর-২৫ থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক সশস্ত্র দলের আধিপত্য নির্মূলে এবং দুর্গম এলাকার জনসাধারণকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাঙামাটি জেলার দুর্গম ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘমেয়াদি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযান চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দুর্গম শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ার এলাকাবাসীর বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট সম্পর্কে অবহিত হন। দুর্গম এই পাহাড়ি পাড়াগুলিতে স্থানীয় জনগণ আনুমানিক ৪০০ থেকে ৬০০ ফুট নিচে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। এলাকাবাসীর দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তাৎক্ষণিক ভাবে দুর্গম এলাকায় পানির সমস্যা সমাধানে সেনাবাহিনীর টহলদল উদ্যোগ গ্রহণ করে।

রাঙ্গামাটি রিজিয়নের জুড়াছড়ি জোনের ব্যবস্থাপনায় রবিবার (২১ ডিসেম্বর) তারিখে শৈয়ালপাড়া এবং থাচিপাড়ায় দুটি পৃথক পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এর ফলে শৈয়ালপাড়ায় প্রায় ৬০ জন (১৬টি পরিবার) এবং থাচিপাড়ায় প্রায় ২০০ জন (৭৫টি পরিবার) নিজ নিজ বসতবাড়ির নিকটেই নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণভাবে সেনাবাহিনীর অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযান যতদিন প্রয়োজন চলমান থাকবে। একই সাথে প্রান্তিক পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ লাঘবে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ


প্রিন্ট