ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন

রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

এইচ এম আব্দুল কুদ্দুস খোকন, ঝালকাঠি |
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির দায়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা সদরের হরিসভা মন্দির সড়কে অবস্থিত মেসার্স ময়না মেডিকেল হল-এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি। অভিযানে মো. মহিউদ্দীন ভান্ডারীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মহিউদ্দীন ভান্ডারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকার মরহুম মোবারক ফকিরের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগ ছিল মহিউদ্দীন ভান্ডারীর বিরুদ্ধে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভোক্তা অধিকার ও ওষুধ বিক্রয় সংক্রান্ত বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহিউদ্দীন ভান্ডারী বলেন, “আমি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন কবিরাজি চিকিৎসক। রোগী দেখাসহ ওষুধ দেওয়ার অনুমতি রয়েছে আমার। আমার সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তারপরও কেন আমাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি বলেন, “চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ওষুধের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে

রাজাপুরে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি, ঔষধ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেট টাইম : ০৪:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

এইচ এম আব্দুল কুদ্দুস খোকন, ঝালকাঠি |
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির দায়ে এক ঔষধ ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা সদরের হরিসভা মন্দির সড়কে অবস্থিত মেসার্স ময়না মেডিকেল হল-এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি। অভিযানে মো. মহিউদ্দীন ভান্ডারীকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মহিউদ্দীন ভান্ডারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মনোহরপুর এলাকার মরহুম মোবারক ফকিরের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির অভিযোগ ছিল মহিউদ্দীন ভান্ডারীর বিরুদ্ধে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ভোক্তা অধিকার ও ওষুধ বিক্রয় সংক্রান্ত বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহিউদ্দীন ভান্ডারী বলেন, “আমি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন কবিরাজি চিকিৎসক। রোগী দেখাসহ ওষুধ দেওয়ার অনুমতি রয়েছে আমার। আমার সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। তারপরও কেন আমাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে, তা আমি বুঝতে পারছি না।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরি বলেন, “চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রির সময় এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ওষুধের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।


প্রিন্ট