ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিসিক এর জিএম/পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? চেয়ারম্যান,এমডি কারাগারে: মব গোষ্ঠির দখলে মোহনা টিভি! বান্দরবানে পার্বত্য জেলা পরিষদ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন সুয়ালক সুপার স্টার যুব স্পোর্টিং ক্লাব গুজবে কান দেবেন না, সন্তানকে টিকা দিন- পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পৌনে দুই লাখ শিশুকে দেওয়া হবে হাম-রুবেলার টিকা ফসলি জমিতে অবৈধ ভরাট: ইউরোপা রয়েল সিটির নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! আবারও ফুটপাত আওয়ামী দোসর খলিলের দখলে বিএনপির সাইনবোর্ডে রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স দখলে নিয়েছে খিলগাঁও সাব-রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন তৃণমূলের ক্ষুদ্র উদ্যোগেই গড়ে উঠবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

বান্দরবানে শাশুড়ির গোপন ভিডিও নিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

বান্দরবান প্রতিনিধি-
বান্দরবানে শাশুড়ির গোপন ভিডিও সংগ্রহ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও ব্ল্যাকমেইলের কারণে ভুক্তভোগী নারী একপর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বান্দরবান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে দ্রুত ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সান্ত্বনা দেন এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।

অভিযানের একপর্যায়ে অভিযুক্ত মেয়ের জামাতা ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে বান্দরবান সদর থানা পুলিশ।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদী হাসিনা বেগম (৫০) বান্দরবান জেলা বিএনপির মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদিকা। তিনি বান্দরবান সদর থানাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের ০১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত মিসকাতুন নবী মিসকাত বান্দরবান সদর উপজেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বাদীর ছোট মেয়ের স্বামী।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টার দিকে বাদী নিজ বসতবাড়িতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা তার একটি গোপন ভিডিও প্রদর্শন করেন। এ সময় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিওটি রাজনৈতিক অঙ্গনসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও ভয় দেখানো হয়।

বাদীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত জামাতা ওই ভিডিওকে পুঁজি করে তাকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। এতে তিনি চরম মানসিক বিপর্যয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জাসাস নেতা ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়, যেখানে অভিযোগে উল্লেখিত গোপন ভিডিওটি পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

মামলায় আরও একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মান্না দে বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মূল অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগী স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। বাদী এজাহার দায়ের করেছেন। আগামীকাল তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিক এর জিএম/পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

বান্দরবানে শাশুড়ির গোপন ভিডিও নিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:১৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি-
বান্দরবানে শাশুড়ির গোপন ভিডিও সংগ্রহ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও ব্ল্যাকমেইলের কারণে ভুক্তভোগী নারী একপর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বান্দরবান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে দ্রুত ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে সান্ত্বনা দেন এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।

অভিযানের একপর্যায়ে অভিযুক্ত মেয়ের জামাতা ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে বান্দরবান সদর থানা পুলিশ।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদী হাসিনা বেগম (৫০) বান্দরবান জেলা বিএনপির মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদিকা। তিনি বান্দরবান সদর থানাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের ০১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ অনুযায়ী, প্রধান অভিযুক্ত মিসকাতুন নবী মিসকাত বান্দরবান সদর উপজেলা বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাসাসের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বাদীর ছোট মেয়ের স্বামী।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ টার দিকে বাদী নিজ বসতবাড়িতে অবস্থানকালে অভিযুক্তরা তার একটি গোপন ভিডিও প্রদর্শন করেন। এ সময় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে ভিডিওটি রাজনৈতিক অঙ্গনসহ এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলেও ভয় দেখানো হয়।

বাদীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত জামাতা ওই ভিডিওকে পুঁজি করে তাকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। এতে তিনি চরম মানসিক বিপর্যয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জাসাস নেতা ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়, যেখানে অভিযোগে উল্লেখিত গোপন ভিডিওটি পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে।

মামলায় আরও একজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
এ বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মান্না দে বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মূল অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগী স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। বাদী এজাহার দায়ের করেছেন। আগামীকাল তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।