মোঃ শাফায়েত হোসেন,মুরাদনগর (কুমিল্লা)|
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার মুরাদনগরের কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে নজরুল জয়ন্তী।
“দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি নজরুল” প্রতিপাদ্যে রবিবার (২৪ মে) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে মুরাদনগর উপজেলা প্রশাসন।
নজরুল-নার্গিস স্মৃতিবিজড়িত দৌলতপুরে এ আয়োজন ঘিরে ভিড় করেন অসংখ্য নজরুলপ্রেমী, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। জীবনের প্রথম প্রেয়সী দৌলতপুরের নার্গিসকে স্মরণ করে নজরুলের বিখ্যাত অনুভূতির উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তারা বলেন, দৌলতপুর শুধু একটি গ্রাম নয়, এটি নজরুল স্মৃতিবাহী এক ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক তীর্থস্থান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুঃ রেজা হাসান। তিনি বলেন, “নজরুল ছিলেন দ্রোহ ও সাম্যের কবি। তাঁর সাহিত্য, গান ও কবিতা আমাদের চেতনাকে শানিত করেছে। অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ গঠনে তাঁর রচনা আজও প্রাসঙ্গিক।”
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.বি.এম সারোয়ার রাব্বী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) এ কে এম কামরুজ্জামান, অধ্যাপক শ্যামাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নার্গিসের ভাতুষ্পুত্র বাবলু আলী খান এবং ঐতিহ্য কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও মাছরাঙা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুলসহ অনেকে।
এর আগে নজরুল মঞ্চ সংলগ্ন কবির ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জাতীয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধ্যায় মুরাদনগর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা নজরুল সংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন। পুরো আয়োজনটি নজরুলপ্রেমীদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত হয়। এ উপলক্ষে মাঠের পূর্বাংশে বসে ঐতিহ্যবাহী নজরুল মেলাও।
প্রিন্ট
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 



















