রাজধানী মিরপুর শিক্ষা অধিদফতরের অর্থ পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ শরিফুল ইসলাম, শান্তা (৪০) নামে এক নারীকে মিরপুর শিক্ষা অধিদফতরে আয়ার চাকরি দেয়ার কথা বলে কু-প্রস্তাব দেন বলে ওই নারী অভিযোগ করেন। এবং বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় ও তার বাসায় তার সাথে একান্ত সময় কাটানোরও প্রস্তাব দেন বলে জানান। সুত্রে জানা যায় গত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে মিরপুর ৬০ ফিটের মাথায় বশিরের চায়ের দোকান থেকে ওই নারীর সাথে মিরপুরের শিক্ষা অধিদফতরের অর্থ পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ শরিফুল ইসলামের পরিচয় হয়। ওই সুত্র ধরে শান্তা (৪২) নামে নারীকে মিরপুর শিক্ষা অধিদফতরে আয়ার চাকরি দেয়ার কথা বলে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বলে জানান। পরবর্তীতে শরিফুল ইসলাম আয়ার চাকরি না দিয়ে ওই নারীকে ঘুরাতে থাকেন। এবং গত ৩১ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে ৫০ হাজার টাকা ফেরৎ দেন বলে জানা যায়। আর মাঝে মাঝে শান্তাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে বলে ও একান্ত সময় কাটানোর প্রস্তাব দেন, প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চাকরি হয়নি বলে জানান এবং বাকি ২ লাখ টাকা ফেরৎ দিবেননা বলে জানান। এমন কি একটি কল রেকর্ডে শোনা যায় তিনি একটি বাসায় ব্যাচেলার সাবলেট ভাড়া থাকেন এবং ওই বাসার সবাই বাহিরে বেড়াতে গেছে কেউ নেই তখন তিনি ওই নারীকে ফোন করে বাসায় আসতে বলেন।
এব্যাপারে মিরপুর শিক্ষা অধিদফতরের অর্থ পরিচালকের ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ শরিফুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানান, চাকরির দেয়ার কথা বলে কোন টাকা নেওয়া হয়নি বরং শান্তার ছেলে মদ্রাসায় পড়া লেখা করে বিধায় তার জন্য আমি তাকে ৫০ হাজার টাকা দিছি। আর শান্তার সাথে একান্ত সময় কাটানোর ব্যাপারে জানান এটা সত্যে না।
প্রিন্ট
স্টাফ রিপোর্টার : 


















