ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরখাস্তের পরেও পূর্বের কর্মস্থলে সক্রিয় ঢাকা-২ (সাভার) ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর রেজায়ে রাব্বি! মির্জাগঞ্জে আর্জেন্টিনার সমর্থক দালালকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড কোনাবাড়ীর গার্মেন্টস থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার, নেপথ্যে ১০ দিনের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত বাউবি-তে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পরিচয় সংকট বিশ্লেষণ’ শীর্ষক আলাপ ও চা-চক্র অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার টানানোর অভিযোগে পঞ্চগড়ে ২৩জন সহ অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জনের নামে মামলা কুমিল্লায় আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মারধরে ব্রাজিল সমর্থকের মৃত্যু শিক্ষার্থীদের হয়রানি: সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাংক কর্মকর্তা তারেক মাহমুদ বরখাস্ত নওগাঁয় প্রবাসীর স্ত্রী ৩ ভরি স্বর্ণ ও ১ লাখ টাকা নিয়ে উধাও! থানায় অভিযোগ মিরপুর শিক্ষা অধিদফতরে আয়ার চাকরি দেয়ার কথা বলে নারীকে কু-প্রস্তাব!

স্লিপ ফান্ডের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি ও অসদাচরণের অভিযোগ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের ১৫৩ নম্বর রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহারের বিরুদ্ধে স্লিপ ফান্ডের সরকারি টাকা আত্মসাৎ, কর্মঘণ্টায় লুডু খেলা এবং তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের সাথে চরম অসদাচরণসহ মামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

​গত ২৯ জুন সকাল ১০ ঘটিকার সময় ‘দৈনিক রূপবাণী’ ও ‘খবর বাংলাদেশ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শাহীন রেজা সোহরাব সহ কয়েকজন সংবাদকর্মী বিদ্যালয়ের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সে সময় প্রধান শিক্ষিকাকে নিজ চেয়ারে বসে মোবাইল বা বোর্ডে আয়েশি ভঙ্গিতে লুডু খেলতে দেখা যায়। সাংবাদিকরা স্লিপ ফান্ডের খরচের হিসাব জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সাংবাদিকদের নামে মামলা করার হুমকি দেন।

​স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের অভিযোগ, স্লিপ ফান্ডের টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কোনো দৃশ্যমান কাজ না করে বছরের পর বছর ভুয়া ভাউচারে তা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষিকা ২০১৯ সালে এই স্কুলে যোগদান করার পর থেকে প্রতিনিয়ত সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথেও অত্যন্ত রুঢ় ও অপমানজনক আচরণ করেন।

এবং ইতি পূর্বে প্রধান শিক্ষিকার অনমাবিক ব্যবহারে শাহীন সহ দুই জন সহকারী শিক্ষক স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল।

যার কারণে শিক্ষার্থীরা সবসময় আতঙ্কে থাকে , এবং কেউ কিছু বলতে গেলে তাকেই মামলার হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আমাকেও বিগত সময়ে অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায়,এই একি কারণে রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মামলা দেন প্রধান শিক্ষকিকা। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত এবং তার অপসারণ দাবি করেছেন।

শিক্ষিকার এই রুপ আচরণের বিষয় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে বলে আপনার এই অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,ইউ এন ও,এবং জেলা প্রশাসক জানাব,প্রশ্নের জবাবে শিক্ষিকা ভাষা খারাপ করে দম্ভিকতা স্বরে বলে, শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রশাসন , জেলা প্রশাসক, আমার কিচ্ছু করতে পারবে না, এমন অনেক সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ করে আমার একটা লোম ছিড়তে পারিনি।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহার বলেন,আমি তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য নিতে বলেছি। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি তোলায় আমি শুধু কারণ জানতে চেয়েছি।

​এ বিষয়ে সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) জানান, স্বচ্ছতার স্বার্থে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তথ্য দিতে বাধ্য। বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের সাথেও তার সম্পর্ক ভালো নয় বলে জেনেছি। যেহেতু আমরা এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তাই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বরখাস্তের পরেও পূর্বের কর্মস্থলে সক্রিয় ঢাকা-২ (সাভার) ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর রেজায়ে রাব্বি!

স্লিপ ফান্ডের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে হুমকি ও অসদাচরণের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের ১৫৩ নম্বর রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহারের বিরুদ্ধে স্লিপ ফান্ডের সরকারি টাকা আত্মসাৎ, কর্মঘণ্টায় লুডু খেলা এবং তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের সাথে চরম অসদাচরণসহ মামলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

​গত ২৯ জুন সকাল ১০ ঘটিকার সময় ‘দৈনিক রূপবাণী’ ও ‘খবর বাংলাদেশ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার শাহীন রেজা সোহরাব সহ কয়েকজন সংবাদকর্মী বিদ্যালয়ের অনিয়মের তথ্য সংগ্রহে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সে সময় প্রধান শিক্ষিকাকে নিজ চেয়ারে বসে মোবাইল বা বোর্ডে আয়েশি ভঙ্গিতে লুডু খেলতে দেখা যায়। সাংবাদিকরা স্লিপ ফান্ডের খরচের হিসাব জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে সাংবাদিকদের নামে মামলা করার হুমকি দেন।

​স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকদের অভিযোগ, স্লিপ ফান্ডের টাকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কোনো দৃশ্যমান কাজ না করে বছরের পর বছর ভুয়া ভাউচারে তা আত্মসাৎ করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষিকা ২০১৯ সালে এই স্কুলে যোগদান করার পর থেকে প্রতিনিয়ত সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথেও অত্যন্ত রুঢ় ও অপমানজনক আচরণ করেন।

এবং ইতি পূর্বে প্রধান শিক্ষিকার অনমাবিক ব্যবহারে শাহীন সহ দুই জন সহকারী শিক্ষক স্কুল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল।

যার কারণে শিক্ষার্থীরা সবসময় আতঙ্কে থাকে , এবং কেউ কিছু বলতে গেলে তাকেই মামলার হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আমাকেও বিগত সময়ে অনিয়ম দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায়,এই একি কারণে রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মামলা দেন প্রধান শিক্ষকিকা। এলাকাবাসী অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত এবং তার অপসারণ দাবি করেছেন।

শিক্ষিকার এই রুপ আচরণের বিষয় সাংবাদিকরা প্রশ্ন করে বলে আপনার এই অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার,ইউ এন ও,এবং জেলা প্রশাসক জানাব,প্রশ্নের জবাবে শিক্ষিকা ভাষা খারাপ করে দম্ভিকতা স্বরে বলে, শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রশাসন , জেলা প্রশাসক, আমার কিচ্ছু করতে পারবে না, এমন অনেক সাংবাদিকরা আমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ করে আমার একটা লোম ছিড়তে পারিনি।

​অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা নুরুন্নাহার বলেন,আমি তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য নিতে বলেছি। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি তোলায় আমি শুধু কারণ জানতে চেয়েছি।

​এ বিষয়ে সদর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) জানান, স্বচ্ছতার স্বার্থে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি তথ্য দিতে বাধ্য। বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের সাথেও তার সম্পর্ক ভালো নয় বলে জেনেছি। যেহেতু আমরা এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তাই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


প্রিন্ট