ঢাকা ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিরাজদিখানে এসআই মাসুদ রানার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা শ্রীকাইলে SSC-২০২৬ এর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান  বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য কালিয়াকৈরে একদিনে ৩০টি উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন প্রশাসক চৌধুরী ইশরাক আহমেদ জয়পুরহাটে লাইসেন্সবিহীন সার ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান-জরিমানা ক্ষেতলালে নানা আয়োজনে ডায়াবেটিস সেবা দিবস উদযাপন ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ চাল ব্যবসায়ী আটক পঞ্চগড়ে মানব পাচার ও অনৈতিক কাজের অভিযোগে আটক ৫ রিকশায় ফেলে যাওয়া টেনিস কিট বক্স ১৯ ঘণ্টায় উদ্ধার করল মাগুরা পুলিশ

ফ্যাসিষ্টের সহযোগীরা এখন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক!

  • রোস্তম মল্লিক :
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৮৮৭ বার পড়া হয়েছে

আওয়ামী সরকারের সময় যারা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করতেন সেই ফ্যাসিবাদী ঠিকাদাররাই এখন বিএনপি ট্যগে় নিয়ন্ত্রন করছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সকল কর্মকান্ড। আর তাদের সহযোগিতা করছেন অধিদপ্তরের বিএনপিপন্থী কথিত কর্মকতা ও প্রকল্প পরিচালকরা। এ যেন “যে লাউ সেই কদু” অবস্থা।

ঢাকা জাতীয় চিডিয়াখানা, কেন্দ্রীয় মুরগীখামার , সাভার ডেইরী ফার্ম সহ বিভিন্ন প্রকল্পে ও খামার সমুহে একচেটিয়া ব্যবসা করতেন মিরপুরের আওয়়ামী নেতা বিমল মিত্রের শিখা ট্রেডার্স , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুহিনের লুৎফা এন্ড সন্স, সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের এপিএস জুয়েলের কাশবন, আব্দুল আওয়ালের বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস, দীপকের মেসার্স সিমেন্স সহ বেশ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান । বর্তমান সরকারের সময়েও এ সকল প্রতিষ্ঠান বিএনপির কথিত কতিপয় নেতাদের সাথে মিলে বিএনপিপন্থী পিডিদের সাথে শেয়ারে ধুমসে ব্যবসা করে যাচ্ছেন ।

সম্প্রতি ছাগল প্রকল্পে , প্রুভেন প্রকল্পে , ছিট মহাল প্রকল্পে , সাভার ডেইরী ফার্মে,কেন্দ্রীয় মুরগী খামারে , কুমিল্লা মুরগী খামারে, নারায়ণগঞ্জ হাঁস খামারে, সীতাকুন্ড হাঁস মুরগী খামারে, হাটহাজারী ডেইরী ফার্মে , কুষ্টিয়া ও চুয়াডাংগা মুরগী খামারে , দেশের সকল ছাগল খামারে , বরিশাল সকল খামার সহ অধিকাংশ দপ্তরে সাবেক ফ্যাসিষ্ট এর সময়ের একছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী ঠিকাদাররা অনৈতিক শর্ত দিয়ে কাজ নিয়ে যাচ্ছেন। বিনিময়ে সরবরাহ করছেন পরিমাণে কম এবং নিম্নমানের মালামাল। বিগত ১ বছরের পরিসংখ্যন নিলেই তার প্রমানিত মিলবে।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের সময় যে কর্মকতাকে দিয়ে প্রায় অধিকাংশ দরপত্র মুল্যায়ন করানো হোত অর্থাৎ যে কর্মকতা উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নির্দেশে দিনকে রাত আর রাতকে দিন করে ফেলতেন। কোন নিয়ম কানুনের ধার ধারতেন না, সেই কর্মকতা এখনও বহাল তবিয়তে অধিদপ্তরের দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সভাপতি ও সদস্যের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন । এর সাথে যুক্ত হয়েছে একজন নুতন কথিত বিএনপিপন্থী ৯ম গ্রেডের নন ক্যাডার করমকর্তা। যার নাম ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ। এই নন ক্যাডার ৯ম গ্রেডের ভেটেরিনারি সার্জনকে প্রায় ৫০ টি দপ্তরের দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সদস্য ও সভাপতি করা হয়েছে। অথচ: এই কর্মকতার পিপিআর সম্পর্কে ন্যুনতম ধারনা বা জ্ঞান নেই। এমন কি এই নন ক্যাডার ৯ম গ্রেডের কর্মকতাকে অবৈধভাবে সার্বক্ষনিক সরকারী গাড়িও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এই কর্মকতা বিগত ১৫ বছর নারায়ণগঞ্জ একই স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। কারণ তার স্ত্রী ছিলেন ছাত্রলীগের নেত্রী এবং স্ত্রীর ভাই ছিলেন সাবেক প্রভাবশালী সচিব। যার নাম: মো: নুরুল ইসলাম।
আলোচ্য কর্মকতা ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ নাকি বর্তমান প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন টুকুর আশীর্বাদপুষ্ট। এ জন্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সকলেই তাকে সমীহ করে চলেন। এবং অনৈতিক সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। এই নন ক্যাডার কর্মকর্তা যে প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে বলেন- টেন্ডার মূল্যায়ণ কমিটি তার পক্ষেই সুপারিশ করেন বলে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন।

সম্প্রতি এই কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এ্যাব কর্তৃক (ভেটেরিনারি ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর সকল কাযর্ক্রম স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই নন ক্যাডার কর্মকর্তা ভ্যাবের স্বঘোষিত মহাসচিব ছিলেন এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে স্বৈরাচারী আচরণ করে যাচ্ছিলেন।

এছাড়া নন ক্যাডার এই কর্মকতা ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ এর নিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এসকে ট্রেডার্স সম্প্রতি অধিদপ্তরের ১ টি প্রকল্পে ৯৮ লক্ষ টাকার মেডিসিন সরবরাহের কার্যাদেশ পেয়েছে। ঐ প্যাকেজে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করেনি । ঐ প্যাকেজের দরপত্রে যে সকল কাগজপত্র চাওয়া হয়েছিল তার কোনটিই এসকে ট্রেডার্স এর না থাকলেও একক দরপত্র হিসাবে রেসপনসিভ করে দেয় মুল্যায়ন কমিটি। প্রায় ৩/৪ মাস পুর্বে কার্যাদেশ প্রদান করা হলেও এ পর্যন্ত কোন মেডিসিন সরবরাহ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যহত হলেও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

সর্বশেষ জানাগেছে, প্রায় ৫ কোটি টাকার ঠিকাদারী কাজ পেয়েছে মিরপুরের আওয়়ামী নেতা বিমল মিত্রের শিখা ট্রেডার্স। সুত্র জানায়, শিখা ট্রেডার্স সব চেয়ে নিম্ন মানের পশু ও পশুখাদ্য সরবরাহ দিয়েছে। যার সাথে দরপত্রের সাথে জমাকৃত নমুনার কোন মিল নেই। এদের অভিযোগ, অধিদপ্তরের অধীনে আওয়ামী লীগ নেতা বিমলের শিখা ট্রেডারস কতৃক সরবরাহকৃত খাদ্য যে কোন দপ্তর হতে সংগ্রহ করে ল্যব টেষ্ট করলেই প্রমাণিত হবে যে, সেগুলো পশু খাদ্যের খাবার অনুপযোগী।
অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অধিদপ্তরের কর্মকতাবৃন্দ।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ডা: কবির উদ্দিন আহমেদ এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃষিজমিতে অবৈধ বালুভরাট ও অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ফ্যাসিষ্টের সহযোগীরা এখন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক!

আপডেট টাইম : ০২:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

আওয়ামী সরকারের সময় যারা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঠিকাদারি ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করতেন সেই ফ্যাসিবাদী ঠিকাদাররাই এখন বিএনপি ট্যগে় নিয়ন্ত্রন করছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উন্নয়নমূলক প্রকল্পের সকল কর্মকান্ড। আর তাদের সহযোগিতা করছেন অধিদপ্তরের বিএনপিপন্থী কথিত কর্মকতা ও প্রকল্প পরিচালকরা। এ যেন “যে লাউ সেই কদু” অবস্থা।

ঢাকা জাতীয় চিডিয়াখানা, কেন্দ্রীয় মুরগীখামার , সাভার ডেইরী ফার্ম সহ বিভিন্ন প্রকল্পে ও খামার সমুহে একচেটিয়া ব্যবসা করতেন মিরপুরের আওয়়ামী নেতা বিমল মিত্রের শিখা ট্রেডার্স , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুহিনের লুৎফা এন্ড সন্স, সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের এপিএস জুয়েলের কাশবন, আব্দুল আওয়ালের বাংলাদেশ সায়েন্স হাউস, দীপকের মেসার্স সিমেন্স সহ বেশ কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান । বর্তমান সরকারের সময়েও এ সকল প্রতিষ্ঠান বিএনপির কথিত কতিপয় নেতাদের সাথে মিলে বিএনপিপন্থী পিডিদের সাথে শেয়ারে ধুমসে ব্যবসা করে যাচ্ছেন ।

সম্প্রতি ছাগল প্রকল্পে , প্রুভেন প্রকল্পে , ছিট মহাল প্রকল্পে , সাভার ডেইরী ফার্মে,কেন্দ্রীয় মুরগী খামারে , কুমিল্লা মুরগী খামারে, নারায়ণগঞ্জ হাঁস খামারে, সীতাকুন্ড হাঁস মুরগী খামারে, হাটহাজারী ডেইরী ফার্মে , কুষ্টিয়া ও চুয়াডাংগা মুরগী খামারে , দেশের সকল ছাগল খামারে , বরিশাল সকল খামার সহ অধিকাংশ দপ্তরে সাবেক ফ্যাসিষ্ট এর সময়ের একছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী ঠিকাদাররা অনৈতিক শর্ত দিয়ে কাজ নিয়ে যাচ্ছেন। বিনিময়ে সরবরাহ করছেন পরিমাণে কম এবং নিম্নমানের মালামাল। বিগত ১ বছরের পরিসংখ্যন নিলেই তার প্রমানিত মিলবে।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের সময় যে কর্মকতাকে দিয়ে প্রায় অধিকাংশ দরপত্র মুল্যায়ন করানো হোত অর্থাৎ যে কর্মকতা উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের নির্দেশে দিনকে রাত আর রাতকে দিন করে ফেলতেন। কোন নিয়ম কানুনের ধার ধারতেন না, সেই কর্মকতা এখনও বহাল তবিয়তে অধিদপ্তরের দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সভাপতি ও সদস্যের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন । এর সাথে যুক্ত হয়েছে একজন নুতন কথিত বিএনপিপন্থী ৯ম গ্রেডের নন ক্যাডার করমকর্তা। যার নাম ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ। এই নন ক্যাডার ৯ম গ্রেডের ভেটেরিনারি সার্জনকে প্রায় ৫০ টি দপ্তরের দরপত্র মুল্যায়ন কমিটির সদস্য ও সভাপতি করা হয়েছে। অথচ: এই কর্মকতার পিপিআর সম্পর্কে ন্যুনতম ধারনা বা জ্ঞান নেই। এমন কি এই নন ক্যাডার ৯ম গ্রেডের কর্মকতাকে অবৈধভাবে সার্বক্ষনিক সরকারী গাড়িও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
একাধিক সুত্র জানায়, এই কর্মকতা বিগত ১৫ বছর নারায়ণগঞ্জ একই স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। কারণ তার স্ত্রী ছিলেন ছাত্রলীগের নেত্রী এবং স্ত্রীর ভাই ছিলেন সাবেক প্রভাবশালী সচিব। যার নাম: মো: নুরুল ইসলাম।
আলোচ্য কর্মকতা ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ নাকি বর্তমান প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন টুকুর আশীর্বাদপুষ্ট। এ জন্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ সকলেই তাকে সমীহ করে চলেন। এবং অনৈতিক সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। এই নন ক্যাডার কর্মকর্তা যে প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে বলেন- টেন্ডার মূল্যায়ণ কমিটি তার পক্ষেই সুপারিশ করেন বলে একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করেছেন।

সম্প্রতি এই কর্মকর্তার স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এ্যাব কর্তৃক (ভেটেরিনারি ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর সকল কাযর্ক্রম স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই নন ক্যাডার কর্মকর্তা ভ্যাবের স্বঘোষিত মহাসচিব ছিলেন এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে স্বৈরাচারী আচরণ করে যাচ্ছিলেন।

এছাড়া নন ক্যাডার এই কর্মকতা ডা: মো: কবির উদ্দিন আহমেদ এর নিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এসকে ট্রেডার্স সম্প্রতি অধিদপ্তরের ১ টি প্রকল্পে ৯৮ লক্ষ টাকার মেডিসিন সরবরাহের কার্যাদেশ পেয়েছে। ঐ প্যাকেজে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান অংশ গ্রহন করেনি । ঐ প্যাকেজের দরপত্রে যে সকল কাগজপত্র চাওয়া হয়েছিল তার কোনটিই এসকে ট্রেডার্স এর না থাকলেও একক দরপত্র হিসাবে রেসপনসিভ করে দেয় মুল্যায়ন কমিটি। প্রায় ৩/৪ মাস পুর্বে কার্যাদেশ প্রদান করা হলেও এ পর্যন্ত কোন মেডিসিন সরবরাহ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যহত হলেও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না।

সর্বশেষ জানাগেছে, প্রায় ৫ কোটি টাকার ঠিকাদারী কাজ পেয়েছে মিরপুরের আওয়়ামী নেতা বিমল মিত্রের শিখা ট্রেডার্স। সুত্র জানায়, শিখা ট্রেডার্স সব চেয়ে নিম্ন মানের পশু ও পশুখাদ্য সরবরাহ দিয়েছে। যার সাথে দরপত্রের সাথে জমাকৃত নমুনার কোন মিল নেই। এদের অভিযোগ, অধিদপ্তরের অধীনে আওয়ামী লীগ নেতা বিমলের শিখা ট্রেডারস কতৃক সরবরাহকৃত খাদ্য যে কোন দপ্তর হতে সংগ্রহ করে ল্যব টেষ্ট করলেই প্রমাণিত হবে যে, সেগুলো পশু খাদ্যের খাবার অনুপযোগী।
অভিযোগটি আমলে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অধিদপ্তরের কর্মকতাবৃন্দ।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ডা: কবির উদ্দিন আহমেদ এর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।


প্রিন্ট