ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ৩ নং কোলা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় নেমেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও তরুণ রাজনীতিক মোঃ মাজেদুল ইসলাম সবুজ। ৭১ টেলিভিশনের এই সাংবাদিক নিজের দীর্ঘদিনের পেশাগত সততা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার মানুষের সেবা করতে চান।
স্থানীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ মাজেদুল ইসলাম সবুজ কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃতি সন্তান। স্কুল ও কলেজ জীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। বর্তমানে তিনি সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ছাত্রদলের ইউনিয়ন পর্যায়ের সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে দীর্ঘ সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে মাজেদুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘আমি ছাত্র জীবন থেকেই জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষের অধিকারের কথা বলতে গিয়ে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার অপরাধে আমি ২০১৭ সালে ৮ মাস ১৩ দিন কারাবরণ করেছি। সেই কারাবাস আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে, আমি আরও বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছি মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার জন্য।’
সাংবাদিকতার পেশা থেকে পাওয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চাকে তিনি ইউনিয়ন পরিষদে বাস্তবায়ন করতে চান। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে তাঁর অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে— সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, ফ্রি ওয়াই-ফাই,এবং ইউনিয়ন পরিষদ হট লাইন সেবা চালু করার অঙ্গিরাক করেন যাতে করে ইউনিয়ন এর প্রতি মানুষ পরিষদে বসে যোগাযোগ করতে পারে ও আধুনিক পাঠাগার স্থাপন, এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এছাড়া, মাদক ও চাঁদাবাজি নির্মূলে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।
মাজেদুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘আমি আপনাদের শাসন করতে আসিনি, সেবা করতে এসেছি। আমার বয়স কম, তাই আমার শরীরে এখনো তাজা রক্ত, মনে অদম্য সাহস আর হৃদয়ে এলাকার মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা রয়েছে। আমি ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি নাগরিক সেবা—যেমন জন্ম নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদসহ অন্যান্য সেবাকে দালালমুক্ত এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল করতে চাই।’
নারীদের স্বাবলম্বী করা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক চাষাবাদের সুযোগ তৈরির বিষয়েও তিনি তাঁর রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বিশ্বাস করেন, দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ এবার পরিবর্তন চায় এবং তিনি জনগণের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ৩ নং কোলা ইউনিয়ন গড়ে তুলতে পারবেন।
নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা অতীতে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের কর্মকাণ্ড দেখেছেন। আমি আমার সততা, অভিজ্ঞতা এবং পরিশ্রম দিয়ে ইউনিয়নবাসীকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ উপহার দিতে চাই। আমাকে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।’
প্রিন্ট
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 
























