ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে বহিরাগত ব্যক্তির প্রভাবের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শালিখায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহশালা ও পাঠাগার এর শুভ উদ্বোধন বান্দরবানে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের নানা আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ গাজীপুরের শ্রীপুরে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল মসজিদসহ একাধিক স্থাপনা বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ বান্দরবানের সুয়ালক চেক স্টেশনে টিপি পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘীসহ সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবি

পঞ্চগড়ে অবৈধভাবে দুই  শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ 

মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ফকিরপাড়া বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে দুই মৌলভি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমপিও কাঠামো অনুযায়ী একজন মৌলভি শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও, বিদ্যালয়টিতে আট বছর ধরে দুইজন মৌলভি শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। আট বছর ধরে তারা বেতন উত্তোলন করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের দাবী, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির যোগসাজশে আইবুল হক এবং জাহাঙ্গীর হোসেন নামের এই দুই শিক্ষক আট বছর ধরে প্রায় ৪২ লাখ টাকা বেতন উত্তোলন করছেন। তবে শিক্ষা অধিদপ্তরের মুদ্রণ ত্রুটির কারণে পরিস্থিতির শিকার বলে দাবি করছেন প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক।
বিদ্যালয় এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৭ সালে আইবুল হককে সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বও পালন করেছিল আইবুল হক। পরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে তিনি ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তৎকালীন সামাজিক বিজ্ঞানে তিনজন শিক্ষক থাকায় আইবুল হককে কোন বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল বিদ্যালয়ে।
তন্মধ্যে ২০০৯ সালে সহকারী শিক্ষক (ধর্মীয়) হিসেবে জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ২০১৩ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয়টির শিক্ষকের তালিকা চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক আইবুল হককে মৌলভি শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করে তালিকা দেন। তারপর ২০১৫ সাল থেকে দুইজনই মৌলভি শিক্ষক (এমআরটি) হিসেবে বেতন তুলছেন। এরমধ্যে টাইম স্কেলের জন্য আইবুল হক আবেদন করলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে প্রত্যাখ্যান করে আইবুল হককে মৌলভি শিক্ষক পদ পরিবর্তন করার নির্দেশনা দেন। তবে তিনি তার পদ পরিবর্তন না করেই বেতন তুলছেন। চলতি বছরের এমপিও শিট অনুযায়ী বিদ্যালয়ের আইবুল হক ২৬ হাজার ৭৯০ টাকা এবং জাহাঙ্গীর হোসেন ২৩ হাজার ৩৩৪ টাকা করে প্রতি মাসে বেতন উত্তোলন করেছে

প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

পঞ্চগড়ে অবৈধভাবে দুই  শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ 

আপডেট টাইম : ০৫:৪৮:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ফকিরপাড়া বিএল উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে দুই মৌলভি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমপিও কাঠামো অনুযায়ী একজন মৌলভি শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও, বিদ্যালয়টিতে আট বছর ধরে দুইজন মৌলভি শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। আট বছর ধরে তারা বেতন উত্তোলন করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।
স্থানীয়দের দাবী, প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির যোগসাজশে আইবুল হক এবং জাহাঙ্গীর হোসেন নামের এই দুই শিক্ষক আট বছর ধরে প্রায় ৪২ লাখ টাকা বেতন উত্তোলন করছেন। তবে শিক্ষা অধিদপ্তরের মুদ্রণ ত্রুটির কারণে পরিস্থিতির শিকার বলে দাবি করছেন প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক।
বিদ্যালয় এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৭ সালে আইবুল হককে সহকারী শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৪ সালে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বও পালন করেছিল আইবুল হক। পরে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে তিনি ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তৎকালীন সামাজিক বিজ্ঞানে তিনজন শিক্ষক থাকায় আইবুল হককে কোন বিষয়ে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছিল বিদ্যালয়ে।
তন্মধ্যে ২০০৯ সালে সহকারী শিক্ষক (ধর্মীয়) হিসেবে জাহাঙ্গীর হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে ২০১৩ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদ্যালয়টির শিক্ষকের তালিকা চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক আইবুল হককে মৌলভি শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করে তালিকা দেন। তারপর ২০১৫ সাল থেকে দুইজনই মৌলভি শিক্ষক (এমআরটি) হিসেবে বেতন তুলছেন। এরমধ্যে টাইম স্কেলের জন্য আইবুল হক আবেদন করলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে প্রত্যাখ্যান করে আইবুল হককে মৌলভি শিক্ষক পদ পরিবর্তন করার নির্দেশনা দেন। তবে তিনি তার পদ পরিবর্তন না করেই বেতন তুলছেন। চলতি বছরের এমপিও শিট অনুযায়ী বিদ্যালয়ের আইবুল হক ২৬ হাজার ৭৯০ টাকা এবং জাহাঙ্গীর হোসেন ২৩ হাজার ৩৩৪ টাকা করে প্রতি মাসে বেতন উত্তোলন করেছে

প্রিন্ট