ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাগুরায় দীর্ঘ ১৪ বছর জাল সনদপত্র ও বয়স কমিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে সরকারি চাকরির অভিযোগ মির্জাগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে যুক্ত হচ্ছে ‘খেলাধুলা’ বই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দুর্গাপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসার শারীরিক অসুস্থার জন্য বৃহস্পতিবার অফিসে আসতে পারেননি আ.লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে জামায়াতের আমির মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে: রাশেদ খান মাগুরাতে ২৮ হাজার ইয়াবা ও ১৯ লক্ষ টাকা সহ এসআরবির হাতে গ্রেফতার এক যশোরে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে লাইফ কেয়ার হাসপাতাল, রোগী ভাগিয়ে বাণিজ্য মা ইলিশ রক্ষায় আজ থেকে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য: মোহনা টিভি দখল ও সরকারবিরোধী বড় চক্রান্তের তথ্য ফাঁস! সিন্ডিকেট ভাঙতে লটারির মাধ্যমে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ১৮ কর্মকর্তা
তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

বেনজীরের সম্পদ নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন দাবি করে সেই সম্পদের তদন্ত দাবি করেছেন সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমন।

এই দাবি নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট ও মাধবপুর) আসনের এই সংসদ সদস্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে সাবেক পুলিশ প্রধানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।

আজ রবিবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এই আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশ পুলিশের ৩০তম আইজি ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। কিন্তু চাকরিতে থাকাকালে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে, যে সম্পদগুলো তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিসান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে প্রচুর সম্পদ গড়েছেন। তাদের নামে রাজধানীতে বেস্ট হোল্ডিংয়ের পাঁচ তারকা মানের হোটেল লা মেরিডিয়ানে শেয়ার, গোপালগঞ্জে বিলাসবহুল সাবানাহ ইকো রিসোর্ট, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে জমি ও একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্য প্রকাশ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

ব্যারিস্টার সুমন ওই প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, বেনজীর আহমেদের বৈধ যে আয়, তার পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদের পরিমাণ তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেনজীর আহমেদ চাকরিতে থাকাকালে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, এ পরিস্থিতিতে বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পদের তদন্তে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।

আবেদন জমা দিয়ে পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সুমন। বলেন, ‘পুলিশে যারা অসৎ হবেন বেনজীর সাহেবকে আদর্শ ধরে নিবেন।’

এদিকে ওই জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি করেছেন বেনজীর আহমেদ। গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি সম্পত্তি অর্জনের তথ্যকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেছেন, কেউ যদি সেই তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তবে সেই সম্পত্তি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে হাসিমুখে লিখে দেবেন তিনি।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় দীর্ঘ ১৪ বছর জাল সনদপত্র ও বয়স কমিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে সরকারি চাকরির অভিযোগ

তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন

বেনজীরের সম্পদ নিয়ে মুখ খুললেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট টাইম : ০৮:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সম্পদ তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন দাবি করে সেই সম্পদের তদন্ত দাবি করেছেন সৈয়দ সায়েদুল হক ওরফে ব্যারিস্টার সুমন।

এই দাবি নিয়ে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট ও মাধবপুর) আসনের এই সংসদ সদস্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। আবেদনে সাবেক পুলিশ প্রধানসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন ব্যারিস্টার সুমন।

আজ রবিবার দুপুরে দুদক কার্যালয়ে এই আবেদন জমা দেন ব্যারিস্টার সুমন।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, বেনজীর আহমেদ বাংলাদেশ পুলিশের ৩০তম আইজি ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। কিন্তু চাকরিতে থাকাকালে তার স্ত্রী ও মেয়েদের নামে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে, যে সম্পদগুলো তার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এর আগে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রী জিসান মির্জা এবং দুই মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও তাশিন রাইসা বিনতে বেনজীরের নামে প্রচুর সম্পদ গড়েছেন। তাদের নামে রাজধানীতে বেস্ট হোল্ডিংয়ের পাঁচ তারকা মানের হোটেল লা মেরিডিয়ানে শেয়ার, গোপালগঞ্জে বিলাসবহুল সাবানাহ ইকো রিসোর্ট, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে জমি ও একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্য প্রকাশ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

ব্যারিস্টার সুমন ওই প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে লিখেছেন, বেনজীর আহমেদের বৈধ যে আয়, তার পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদের পরিমাণ তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বেনজীর আহমেদ চাকরিতে থাকাকালে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে এসব সম্পদ অর্জন করেছেন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে।

আবেদনে ব্যারিস্টার সুমন লিখেছেন, এ পরিস্থিতিতে বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী সন্তানদের সম্পদের তদন্তে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।

আবেদন জমা দিয়ে পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সুমন। বলেন, ‘পুলিশে যারা অসৎ হবেন বেনজীর সাহেবকে আদর্শ ধরে নিবেন।’

এদিকে ওই জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যগুলো অসত্য বলে দাবি করেছেন বেনজীর আহমেদ। গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি সম্পত্তি অর্জনের তথ্যকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। বলেছেন, কেউ যদি সেই তথ্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, তবে সেই সম্পত্তি সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে হাসিমুখে লিখে দেবেন তিনি।


প্রিন্ট