ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে বহিরাগত ব্যক্তির প্রভাবের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শালিখায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহশালা ও পাঠাগার এর শুভ উদ্বোধন বান্দরবানে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের নানা আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ গাজীপুরের শ্রীপুরে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল মসজিদসহ একাধিক স্থাপনা বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ বান্দরবানের সুয়ালক চেক স্টেশনে টিপি পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘীসহ সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫২টি পরিবারের মাঝে ষাঁড় ও বকনা গরু ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার  (১৭এপ্রিল) বেলা ১২:৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগিদের মাঝে এসব ষাঁড় ও বকনা গরু বিতরণ করা হয়।
উপকরণের মধ্যে ছিল গরুর, ঘর নির্মাণের ৫ টি টিন, ৪টি ঘরের খুঁটি ও দুই টি করে রাবার ম্যাট সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব গরু বিতরণ করেন৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন  উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র রায় ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল  চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, আলামপুর ইউনিয়নের হোসনে আরা, মামুদপুর ইউনিয়নের মিলন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, সমাজের পিছিয়ে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসার জন্য  গবাদি পশু দ্বারা তাদের ভাগ্যের উন্নয়নের চাকা ঘোরাতে সম্ভব।
তিনি আরো বলেন যে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তারা যেন পরবর্তীতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ রেখে, নিজেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারে। যদি কোন গরুর রোগা বা আক্রান্ত বা  অসুস্থ হয়। সেই লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের সুবিধাভোগী আদিবাসী নারী সাগরিকা বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে  গরু টিন আর ঘরের খুঁটি দেওয়া হয়েছে। সেটি পেয়ে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। একটি বকনা গরু থেকে যেন আমি আরো অনেক গরু পালন করতে পারি৷
স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় যারা  সুবিধা পেয়েছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী  সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এর জলন্ত উদাহরণ বড়তারা ইউনিয়নের সাগরিকা বিশ্বাস। সেই লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ দপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই বিতরণের পূর্বেও বকনা গরু, মুরগি, ভেড়া ও ষাড় গরু বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ

আপডেট টাইম : ০৫:৩২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫২টি পরিবারের মাঝে ষাঁড় ও বকনা গরু ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার  (১৭এপ্রিল) বেলা ১২:৩০ মিনিটে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থ-সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগিদের মাঝে এসব ষাঁড় ও বকনা গরু বিতরণ করা হয়।
উপকরণের মধ্যে ছিল গরুর, ঘর নির্মাণের ৫ টি টিন, ৪টি ঘরের খুঁটি ও দুই টি করে রাবার ম্যাট সরবরাহ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব গরু বিতরণ করেন৷
অনুষ্ঠানের শুরুতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন  উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র রায় ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল  চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম, আলামপুর ইউনিয়নের হোসনে আরা, মামুদপুর ইউনিয়নের মিলন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আল জিনাত বলেন, সমাজের পিছিয়ে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসার জন্য  গবাদি পশু দ্বারা তাদের ভাগ্যের উন্নয়নের চাকা ঘোরাতে সম্ভব।
তিনি আরো বলেন যে, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও তারা যেন পরবর্তীতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ রেখে, নিজেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারে। যদি কোন গরুর রোগা বা আক্রান্ত বা  অসুস্থ হয়। সেই লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের সুবিধাভোগী আদিবাসী নারী সাগরিকা বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে  গরু টিন আর ঘরের খুঁটি দেওয়া হয়েছে। সেটি পেয়ে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। একটি বকনা গরু থেকে যেন আমি আরো অনেক গরু পালন করতে পারি৷
স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ চন্দ্র বলেন, এই প্রকল্পের আওতায় যারা  সুবিধা পেয়েছে। তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী  সামাজিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এর জলন্ত উদাহরণ বড়তারা ইউনিয়নের সাগরিকা বিশ্বাস। সেই লক্ষ্যে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ দপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। এই বিতরণের পূর্বেও বকনা গরু, মুরগি, ভেড়া ও ষাড় গরু বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রিন্ট