ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরগুনার তালতলীতে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২ বরগুনায় প্রথম, বাল্যবিবাহকে ‘না’ বললো আমতলী গাজীপুরে শ্রীপুরে বিন্দুবাড়ী গাউসুল আজম মাদ্রাসার এডহক কমিটি গঠন শিক্ষার আলো ছড়ানো ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪৩ তম জন্মবার্ষিকী পালিত গুরুদাসপুরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে জীবিকা উপকরণ ও অনুদানের চেক বিতরণ রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভাঙচুর, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ

মহম্মদপুরে ফসল তোলা নিয়ে মা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ!

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা এলাকায় বর্গা জমির ফসল তোলা নিয়ে বিরোধের জেরে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল প্রায় ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন দীঘা এলাকার কলিম উদ্দিনের স্ত্রী সারজিনা বেগম (৫০) এবং তার ছেলে শাহীন (৩২)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন মাস আগে দীঘা গ্রামের ওহিদুলের কাছ থেকে শাহীন বর্গা হিসেবে জমি নিয়ে মুসুরির চাষ করেন। চুক্তি অনুযায়ী জমির মালিক ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবেন বলে কথা ছিল। শনিবার সকালে শাহীন ও তার মা জমি থেকে মুসুরির ফসল তুলছিলেন।
এ সময় জমির মালিক ওহিদুল সেখানে গিয়ে অর্ধেক ফসল দাবি করেন। এ নিয়ে শাহীন ও তার মায়ের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওহিদুল পাশের বাড়ি থেকে লাঠি এনে শাহীন ও তার মাকে উপর্যুপরি মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সারজিনা বেগম মাটিতে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান এবং রক্তক্ষরণ হয়। তার ছেলে শাহীনও আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত ওহিদুল সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত মা-ছেলেকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ৯৯৯-এ কল করা হলে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ঘটনার খোঁজখবর নেয়।

আহত শাহীন বলেন, আমি তিন মাস আগে জমি বর্গা নিয়ে মুসুরির চাষ করেছি। সব খরচ আমার। জমির মালিককে ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন তিনি অর্ধেক ফসল দাবি করছেন। এতে রাজি না হওয়ায় আমাকে ও আমার মাকে মারধর করেছেন। আমরা গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওহিদুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে জানা যায়, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “মাঠের ফসল নিয়ে একটি ছোটখাটো ঝামেলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারীর মাথায় আঘাত থাকলেও সেলাই দেওয়ার মতো গুরুতর নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

মহম্মদপুরে ফসল তোলা নিয়ে মা-ছেলেকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ!

আপডেট টাইম : ১০:২৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা এলাকায় বর্গা জমির ফসল তোলা নিয়ে বিরোধের জেরে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল প্রায় ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন দীঘা এলাকার কলিম উদ্দিনের স্ত্রী সারজিনা বেগম (৫০) এবং তার ছেলে শাহীন (৩২)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিন মাস আগে দীঘা গ্রামের ওহিদুলের কাছ থেকে শাহীন বর্গা হিসেবে জমি নিয়ে মুসুরির চাষ করেন। চুক্তি অনুযায়ী জমির মালিক ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবেন বলে কথা ছিল। শনিবার সকালে শাহীন ও তার মা জমি থেকে মুসুরির ফসল তুলছিলেন।
এ সময় জমির মালিক ওহিদুল সেখানে গিয়ে অর্ধেক ফসল দাবি করেন। এ নিয়ে শাহীন ও তার মায়ের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওহিদুল পাশের বাড়ি থেকে লাঠি এনে শাহীন ও তার মাকে উপর্যুপরি মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সারজিনা বেগম মাটিতে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান এবং রক্তক্ষরণ হয়। তার ছেলে শাহীনও আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত ওহিদুল সেখান থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহত মা-ছেলেকে উদ্ধার করে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ৯৯৯-এ কল করা হলে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ঘটনার খোঁজখবর নেয়।

আহত শাহীন বলেন, আমি তিন মাস আগে জমি বর্গা নিয়ে মুসুরির চাষ করেছি। সব খরচ আমার। জমির মালিককে ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন তিনি অর্ধেক ফসল দাবি করছেন। এতে রাজি না হওয়ায় আমাকে ও আমার মাকে মারধর করেছেন। আমরা গরিব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ওহিদুলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে জানা যায়, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “মাঠের ফসল নিয়ে একটি ছোটখাটো ঝামেলার ঘটনা ঘটেছে। আহত নারীর মাথায় আঘাত থাকলেও সেলাই দেওয়ার মতো গুরুতর নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


প্রিন্ট