মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো নিয়ে বর্তমানে বেশ আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। বিগত সময়ের বিতর্কিত ১০১টি এজেন্সি, অন্তর্বর্তীকালীন/বর্তমান প্রক্রিয়ায় বাছাইকৃত ৪২৩টি এজেন্সি এবং সম্প্রতি গুঞ্জনে আসা ২৫টি এজেন্সির মধ্যকার তুলনামূলক
চিত্র ও সরকারের নীতিগত দিকটি নিচে স্পষ্ট করা হলো:
১০১টির বদলে যদি ২৫টি এজেন্সি হয়, তবে নীতিগত সফলতা কোথায়? অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, আগে ১০১টি এজেন্সি ছিল, এখন যদি আরও কমে ২৫টিতে নেমে আসে তবে সরকারের সংস্কার বা সফলতা কোথায়?
এখানে নীতিগত পার্থক্য ও সফলতা নিচে তুলে ধরা হলো:
প্রথমে পরিস্কার হতে হবে মালেশিয়ার শ্রমবাজারে যে সীমিত সংক্ষক এজেন্সী নতুন প্রকৃয়ায় যুক্ত হতে চলেছে তাদের প্রধান ও অন্যতম কাজ হবে “ভিসা প্রসেসিং সেন্টার” হিসাবে কাজ করা।
সংখ্যা নয়, কাঠামোগত পরিবর্তন ও জবাবদিহিতা (IMU/আইএমইউ):আগের ১০১টি এজেন্সি ছিল রাজনৈতিক প্রভাবভিত্তিক সিন্ডিকেট, যা কোনো জবাবদিহিতার অধীনে ছিল না। বর্তমান সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য কোনো সিন্ডিকেট নয়, বরং কঠোর ডিজিটাল ও প্রাতিষ্ঠানিক মনিটরিং (Independent Market Utility) নিশ্চিত করা।
ক্রাইটেরিয়াভিত্তিক স্বচ্ছতা (Criteria-based Selection): ৪২৩টি এজেন্সি নির্ধারণ করা হয়েছিল, এখান থেকে যদি মালয়েশিয়া সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সীমিত সংখ্যক এজেন্সিকে অনুমোদন দিতেও হয়, তবে তা হবে কঠোর মানদণ্ডে উত্তীর্ণ বৈধ এজেন্সি, কোনো ‘রাজনৈতিক কোটা’ বা সিন্ডিকেট নয়।
সিন্ডিকেট চক্র ভাঙা ও ৪৯ এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল:বিগত সময়ে যে ১০১টি এজেন্সির মাধ্যমে শ্রমিকদের শোষণ ও কোটি কোটি টাকা পাচার করার অভিযোগ উঠেছিল, তাদের মধ্যে ৪৯টির লাইসেন্স বাতিল করে সরকার ইতিমধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছে।
নির্ধারিত খরচে ও কাজের নিশ্চয়তা:সরকারের মূল উদ্দেশ্য এজেন্সির সংখ্যা নয়; মূল সফলতা হলো কম খরচে কর্মী পাঠানো এবং মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর যেন কর্মী কাজ ও সঠিক বেতন পান তা নিশ্চিত করা।
এদিকে যে ২৫টি এজেন্সির খবর জানা গিয়েছে সেটা এখনো কোনো চূড়ান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক নোটিশ নয়। তবে মূল বিষয় হলো এজেন্সির সংখ্যা কত—তার চেয়ে বড় কথা, ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে প্রবাসীদের শোষণমুক্ত রাখা। সরকারি অফিশিয়াল ঘোষণা ছাড়া কোনো এজেন্সি বা দালালের লেনদেনে পা না দেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
প্রিন্ট
স্টাফ রিপোর্টার : 























