কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারেন্টেন্ড গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি বিতর্কিত ফাউন্ডেশন এর এজেন্টের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইনে একটি নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পর অপরাধ ঢাকতে উল্টো ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবাড়িয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার গোলাম রাব্বানী ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’-এর স্থানীয় এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। সংস্থাটির মাধ্যমে , প্রাথমিক প্রতিষ্ঠানে ও চাকুরিসহ নানা প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ওই এলাকার অসংখ্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকুরী না পেয়ে ভুক্তভোগীরা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার অনলাইনে একটি নিউজ প্রকাশিত হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
অভিযোগ উঠেছে, সংবাদ প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানী ভুক্তভোগীদের কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন এবং নানা ভাবে হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করছেন। ফলে ভুক্তভোগী পরিবার গুলোর মাঝে আতঙ্ক ও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার গোলাম রাব্বানীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের বিরুদ্ধে ওঠা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, “আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোনো টাকা আত্মসাৎ বা আত্মসাতকৃত টাকা থেকে কোনো সুবিধা নেইনি। সংগৃহীত সমস্ত টাকা প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি কেবল মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছি।”
তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, তারা কোনো চেয়ারম্যানকে চেনেন না; গোলাম রাব্বানীর ওপর বিশ্বাস করেই টাকা তুলে দিয়েছিলেন। বর্তমানে টাকা হারিয়ে ও হুমকির মুখে, নিঃস্ব পরিবারগুলো প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এবং ভুক্তভোগীরা আরো জানান এ বিষয়ে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে, তারা স্থানীয় এলাকাবাসী কঠোর আন্দোলন করবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
প্রিন্ট
রুপালি আক্তার সাথী : 























