ঢাকা ১১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

দারুস সালামে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যায় ইসলাম গ্রুপের ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৩

মো. জসিম উদ্দিন :
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালামে ইসলাম গ্রুপ ও নাবিল খান গ্রুপের দলীয় কোন্দলের জেরে ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের ছুরিকাঘাতে শাহ আলম (৩০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
রোববার (১৫ অক্টোবর) বিষয়টি জানিয়েছেন দারুস সালাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল বাশার।
তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহ আলমকে হত্যার ঘটনার ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সৈয়দ আলী। মামলাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এর আগে, শনিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে দারুস সালাম এলাকার ভূমি অফিসের সামনে শাহ আলমকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শাহ আলম দারুস সালাম থানা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
নিহত শাহ আলমকে হাসপাতালে নিয়ে আসা অটোরিকশা চালক রিমন বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে দারুস সালাম থানার বদ্ধন বাড়ির রাস্তায় তাকে পড়ে থাকতে দেখি। এরপর অটোরিকশায় তুলে মিরপুরের সেলিনা হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ আলমের মৃত্যুর খবর শুনে কয়েকশ’ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিকেলে এসে উপস্থিত হন। তবে ঘটনার বিষয়ে কেউ কোনো কথা বলেননি তার পরিবার এবং দলীয় নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাবিল খান গ্রুপ ও ইসলাম গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই গ্রুপের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেই এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।


প্রিন্ট