ঢাকা ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

পঞ্চগড়ে আট দফা দাবিতে চা চাষীদের মানববন্ধন

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড়-
পঞ্চগড়ে চায়ের সবুজ পাতার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত, চা পাতার ওজন কর্তন ও চা চাষীদের হয়রানি বন্ধ সহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে চা চাষীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চা বাগান মালিক সমিতি ও সর্বস্তরের চা চাষীদের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়কের একপাশে দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন পালন করা হয়। এসময় মহাসড়কে কাঁচা চা পাতা ফেলে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।
মানববন্ধনে চা চাষী আবুল বাশার বসুনিয়া, শাহিন আলম, আনিসুর রহমান আনিস, আতাউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক চা চাষী অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইংরেজরা যেমন নীল চাষে দেশের চাষিদের রক্ত চুষে ছিল। তেমনি পঞ্চগড়ের চা-কারখানা মালিকসহ সিন্ডিকেট চক্রটি চা চাষিদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। চাষীদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চা পাতার ওজন কর্তন করে দাম কম দিয়ে চাষীদের হয়রানি করা হচ্ছে। তৈরি চায়ের দাম বাজারে থাকলেও কাঁচা চা পাতা বিক্রির সময় চাষীরা নায্য দাম পান না। অনলাইন নিলাম কেন্দ্র হয়েও চাষিরা কোনভাবে উপকৃত হচ্ছেন না। অনেক চাষী আজ ঋণগ্রস্থ। ঋণের টাকায় চা বাগানের পরিচর্যা করছেন। কিন্তু কীটনাশক সহ শ্রমিক খরচে তারা তুলতে পারছেন না। অনেকে কারখানার মালিকদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে চাষিরা দাম না পেয়ে গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।
চা চাষীদের ভূর্তুকির মাধ্যমে মেশিন সহ আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদান, চায়ের দাম প্রতি কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ, সুদ মুক্ত সহজ শর্তে ঋণ দেয়া, চায়ের আইন পরিবর্তন করা সহ ৮ দফা দাবি আগামী ৭ দিনের মধ্যে মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুশিঁয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

পঞ্চগড়ে আট দফা দাবিতে চা চাষীদের মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মোঃ বাবুল হোসেন, পঞ্চগড়-
পঞ্চগড়ে চায়ের সবুজ পাতার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত, চা পাতার ওজন কর্তন ও চা চাষীদের হয়রানি বন্ধ সহ ৮ দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারক লিপি প্রদান করেছে চা চাষীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চা বাগান মালিক সমিতি ও সর্বস্তরের চা চাষীদের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পঞ্চগড়-ঢাকা মহাসড়কের একপাশে দাড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন পালন করা হয়। এসময় মহাসড়কে কাঁচা চা পাতা ফেলে প্রতিবাদ জানান চাষিরা।
মানববন্ধনে চা চাষী আবুল বাশার বসুনিয়া, শাহিন আলম, আনিসুর রহমান আনিস, আতাউল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার তিন শতাধিক চা চাষী অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইংরেজরা যেমন নীল চাষে দেশের চাষিদের রক্ত চুষে ছিল। তেমনি পঞ্চগড়ের চা-কারখানা মালিকসহ সিন্ডিকেট চক্রটি চা চাষিদের রক্ত চুষে খাচ্ছে। চাষীদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চা পাতার ওজন কর্তন করে দাম কম দিয়ে চাষীদের হয়রানি করা হচ্ছে। তৈরি চায়ের দাম বাজারে থাকলেও কাঁচা চা পাতা বিক্রির সময় চাষীরা নায্য দাম পান না। অনলাইন নিলাম কেন্দ্র হয়েও চাষিরা কোনভাবে উপকৃত হচ্ছেন না। অনেক চাষী আজ ঋণগ্রস্থ। ঋণের টাকায় চা বাগানের পরিচর্যা করছেন। কিন্তু কীটনাশক সহ শ্রমিক খরচে তারা তুলতে পারছেন না। অনেকে কারখানার মালিকদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে চাষিরা দাম না পেয়ে গাছ তুলে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন।
চা চাষীদের ভূর্তুকির মাধ্যমে মেশিন সহ আধুনিক যন্ত্রপাতি প্রদান, চায়ের দাম প্রতি কেজি ৪০ টাকা নির্ধারণ, সুদ মুক্ত সহজ শর্তে ঋণ দেয়া, চায়ের আইন পরিবর্তন করা সহ ৮ দফা দাবি আগামী ৭ দিনের মধ্যে মানা না হলে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুশিঁয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।


প্রিন্ট