ঢাকা ১২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি

গাজীপুর প্রতিনিধি- গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে বাদীর শাশুড়ি ও ভিক্টিমের নানী মরিয়ম বেগমকে অবরুদ্ধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি-দামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ধর্ষকের বাবা রহিম উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ।
এ দিকে ভিকটিমের নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তিসহ ও চলাচলের রাস্তা দেয়ার দাবীতে রোববার বিকেলে উপজেলার বড়গাও পূর্ব পাড়া মৃত হযরত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে গ্রামবাসি এক প্রতিবাদ সভা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন- বুরুজ শেখ, আল আমিন গাজী, রফিকুল ইসলাম বেপারি, গেলমান শেখ, আকরাম হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, আব্দুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম, গোলায়েত হোসেন, মরিয়ম বেগম, কামরুজ্জামান, সাকিব হোসেন, শাকিল, এবাদুল্লাহ, জাইদুল, জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন-দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষকের ভগ্নিপতি আ’লীগ নেতা মনির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজন দিয়ে নিরীহ মরিয়মকে হুমকি-ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।
এমনকি বিগত ৬দিন যাবত ধরে নিপীড়নের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থীর নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ধর্ষণের অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেনের পরিবারের লোকজন। পরে
স্থানীয়দের সহায়তায় রোববার বিকেলে উদ্ধার হলেও বাড়ির চতুর্দিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখে।
উল্লেখ্য যে, নানীর বেড়াতে এসে
শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণে শিকার হয়েছে।
কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে খেলার মাঠ থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবক। পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ লম্পট মোশাররফকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, কোমলমতি ওই শিশু শিক্ষার্থী (৬) তার বাবা-মাযের সাথে নানার বাড়ি বড়গাও হষরত আলী বাড়িতে বেড়াতে যায় ।
চলতি বছরের ২৩ জুন রোববর বিকালে অন্যান্য ছেলে মেয়েদের সাথে খেলতে সে মাঠে যায়। পরে একই গ্রামের রহিমউদ্দিনের ছেলে লম্পট মোশাররফ কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে ওই শিশু মেয়েকে বাড়ির পাশে নিরব স্থানে (কাঁঠাল বাগানে) নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশু শিক্ষার্থীর গায়ে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় কান্না কাটি করতে করতে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সহ মামা বাড়ির লোকজনদের ঘটনার কথা বলে এবং ব্যাথায় অস্তিত্ব হয়ে মেয়েটি অঝোরে কাদতে থাকে। পরে তাকে রক্তাক্ত জখম ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি

আপডেট টাইম : ১২:১৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

গাজীপুর প্রতিনিধি- গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে বাদীর শাশুড়ি ও ভিক্টিমের নানী মরিয়ম বেগমকে অবরুদ্ধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি-দামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ধর্ষকের বাবা রহিম উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ।
এ দিকে ভিকটিমের নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তিসহ ও চলাচলের রাস্তা দেয়ার দাবীতে রোববার বিকেলে উপজেলার বড়গাও পূর্ব পাড়া মৃত হযরত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে গ্রামবাসি এক প্রতিবাদ সভা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন- বুরুজ শেখ, আল আমিন গাজী, রফিকুল ইসলাম বেপারি, গেলমান শেখ, আকরাম হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, আব্দুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম, গোলায়েত হোসেন, মরিয়ম বেগম, কামরুজ্জামান, সাকিব হোসেন, শাকিল, এবাদুল্লাহ, জাইদুল, জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন-দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষকের ভগ্নিপতি আ’লীগ নেতা মনির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজন দিয়ে নিরীহ মরিয়মকে হুমকি-ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।
এমনকি বিগত ৬দিন যাবত ধরে নিপীড়নের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থীর নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ধর্ষণের অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেনের পরিবারের লোকজন। পরে
স্থানীয়দের সহায়তায় রোববার বিকেলে উদ্ধার হলেও বাড়ির চতুর্দিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখে।
উল্লেখ্য যে, নানীর বেড়াতে এসে
শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণে শিকার হয়েছে।
কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে খেলার মাঠ থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবক। পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ লম্পট মোশাররফকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, কোমলমতি ওই শিশু শিক্ষার্থী (৬) তার বাবা-মাযের সাথে নানার বাড়ি বড়গাও হষরত আলী বাড়িতে বেড়াতে যায় ।
চলতি বছরের ২৩ জুন রোববর বিকালে অন্যান্য ছেলে মেয়েদের সাথে খেলতে সে মাঠে যায়। পরে একই গ্রামের রহিমউদ্দিনের ছেলে লম্পট মোশাররফ কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে ওই শিশু মেয়েকে বাড়ির পাশে নিরব স্থানে (কাঁঠাল বাগানে) নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশু শিক্ষার্থীর গায়ে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় কান্না কাটি করতে করতে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সহ মামা বাড়ির লোকজনদের ঘটনার কথা বলে এবং ব্যাথায় অস্তিত্ব হয়ে মেয়েটি অঝোরে কাদতে থাকে। পরে তাকে রক্তাক্ত জখম ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।


প্রিন্ট