ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরিণাকুন্ডুতে আনসার ও ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সক্রিয় আওয়ামী সিন্ডিকেট ফরিদপুরে দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মধ্যরাতে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় চারজন গ্রেপ্তার শতখালী দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায় সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ! মাগুরায় ঘুমন্ত স্বামীকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, পুলিশ হেফাজতে ৫ মাসের গর্ভবতী স্ত্রী রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)–সেবা’য় ভূষিত গাজীপুরে পিবিআই পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার পঞ্চগড়ে কবরস্থানের জায়গা দখল করে চা বাগান করার অভিযোগ প্রবাসী বন্ধুকে আনতে গিয়ে ফেরার পথেই প্রাণ গেল দুই যুবকের, আহত ৭ মুন্সীগঞ্জে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি

গাজীপুর প্রতিনিধি- গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে বাদীর শাশুড়ি ও ভিক্টিমের নানী মরিয়ম বেগমকে অবরুদ্ধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি-দামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ধর্ষকের বাবা রহিম উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ।
এ দিকে ভিকটিমের নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তিসহ ও চলাচলের রাস্তা দেয়ার দাবীতে রোববার বিকেলে উপজেলার বড়গাও পূর্ব পাড়া মৃত হযরত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে গ্রামবাসি এক প্রতিবাদ সভা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন- বুরুজ শেখ, আল আমিন গাজী, রফিকুল ইসলাম বেপারি, গেলমান শেখ, আকরাম হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, আব্দুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম, গোলায়েত হোসেন, মরিয়ম বেগম, কামরুজ্জামান, সাকিব হোসেন, শাকিল, এবাদুল্লাহ, জাইদুল, জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন-দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষকের ভগ্নিপতি আ’লীগ নেতা মনির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজন দিয়ে নিরীহ মরিয়মকে হুমকি-ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।
এমনকি বিগত ৬দিন যাবত ধরে নিপীড়নের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থীর নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ধর্ষণের অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেনের পরিবারের লোকজন। পরে
স্থানীয়দের সহায়তায় রোববার বিকেলে উদ্ধার হলেও বাড়ির চতুর্দিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখে।
উল্লেখ্য যে, নানীর বেড়াতে এসে
শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণে শিকার হয়েছে।
কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে খেলার মাঠ থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবক। পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ লম্পট মোশাররফকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, কোমলমতি ওই শিশু শিক্ষার্থী (৬) তার বাবা-মাযের সাথে নানার বাড়ি বড়গাও হষরত আলী বাড়িতে বেড়াতে যায় ।
চলতি বছরের ২৩ জুন রোববর বিকালে অন্যান্য ছেলে মেয়েদের সাথে খেলতে সে মাঠে যায়। পরে একই গ্রামের রহিমউদ্দিনের ছেলে লম্পট মোশাররফ কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে ওই শিশু মেয়েকে বাড়ির পাশে নিরব স্থানে (কাঁঠাল বাগানে) নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশু শিক্ষার্থীর গায়ে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় কান্না কাটি করতে করতে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সহ মামা বাড়ির লোকজনদের ঘটনার কথা বলে এবং ব্যাথায় অস্তিত্ব হয়ে মেয়েটি অঝোরে কাদতে থাকে। পরে তাকে রক্তাক্ত জখম ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

হরিণাকুন্ডুতে আনসার ও ভিডিপি’র বৃক্ষরোপণ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি

আপডেট টাইম : ১২:১৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

গাজীপুর প্রতিনিধি- গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে বাদীর শাশুড়ি ও ভিক্টিমের নানী মরিয়ম বেগমকে অবরুদ্ধ করে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি-দামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে ধর্ষকের বাবা রহিম উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ।
এ দিকে ভিকটিমের নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ থেকে মুক্তিসহ ও চলাচলের রাস্তা দেয়ার দাবীতে রোববার বিকেলে উপজেলার বড়গাও পূর্ব পাড়া মৃত হযরত আলীর বাড়ি সংলগ্ন মাঠে গ্রামবাসি এক প্রতিবাদ সভা করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন- বুরুজ শেখ, আল আমিন গাজী, রফিকুল ইসলাম বেপারি, গেলমান শেখ, আকরাম হোসেন, বায়েজিদ হোসেন, আব্দুল্লাহ, জহিরুল ইসলাম, গোলায়েত হোসেন, মরিয়ম বেগম, কামরুজ্জামান, সাকিব হোসেন, শাকিল, এবাদুল্লাহ, জাইদুল, জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন-দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষকের ভগ্নিপতি আ’লীগ নেতা মনির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার শশুর বাড়ির লোকজন দিয়ে নিরীহ মরিয়মকে হুমকি-ধামকিসহ নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল।
এমনকি বিগত ৬দিন যাবত ধরে নিপীড়নের শিকার ওই শিশু শিক্ষার্থীর নানীর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ধর্ষণের অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেনের পরিবারের লোকজন। পরে
স্থানীয়দের সহায়তায় রোববার বিকেলে উদ্ধার হলেও বাড়ির চতুর্দিকে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখে।
উল্লেখ্য যে, নানীর বেড়াতে এসে
শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণে শিকার হয়েছে।
কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে খেলার মাঠ থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবক। পরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পুলিশ লম্পট মোশাররফকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালতের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, কোমলমতি ওই শিশু শিক্ষার্থী (৬) তার বাবা-মাযের সাথে নানার বাড়ি বড়গাও হষরত আলী বাড়িতে বেড়াতে যায় ।
চলতি বছরের ২৩ জুন রোববর বিকালে অন্যান্য ছেলে মেয়েদের সাথে খেলতে সে মাঠে যায়। পরে একই গ্রামের রহিমউদ্দিনের ছেলে লম্পট মোশাররফ কাঁঠাল খায়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে ওই শিশু মেয়েকে বাড়ির পাশে নিরব স্থানে (কাঁঠাল বাগানে) নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ওই শিশু শিক্ষার্থীর গায়ে ধুলাবালি মাখা অবস্থায় কান্না কাটি করতে করতে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মাকে সহ মামা বাড়ির লোকজনদের ঘটনার কথা বলে এবং ব্যাথায় অস্তিত্ব হয়ে মেয়েটি অঝোরে কাদতে থাকে। পরে তাকে রক্তাক্ত জখম ও আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।


প্রিন্ট