ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

গাজীপুরে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

রেজাউল মোল্লা,গাজীপুর- গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এম এম নীটওয়্যার লিমিটেডের বন্ধ ঘোষণা কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সোমবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিক্ষোভ শুরু করেছে শ্রমিকরা। এ সময় উত্তেজিত যেতে শ্রমিকরা ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এতে ওই পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ ও কারখানা শ্রমিকরা জানান, গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক এম এম নীটওয়্যার ও মামুন নীটওয়্যার লিমিটেড কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে রোববার সকালে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটোকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বিকেলে বাড়ি ফিরে যায়। তবে সোমবার সকালে ফের শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে পৃথক দুটি স্থানে সড়ক অবরোধ করে। এতে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
এর আগে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে কাজ বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা। পরে কর্তৃপক্ষ ১৮ ডিসেম্বর থেকে অনির্ষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এম এম নীটওয়্যার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন জানান, গত ৩ নভেম্বর শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করে শ্রমিকরা। পরে শিল্প পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জন শ্রমিককে আসামি করে মামলা দায়ের করে। ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। এখন আবার কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার সামনে এসে বিক্ষোভ করছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে। তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

গাজীপুরে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

রেজাউল মোল্লা,গাজীপুর- গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় এম এম নীটওয়্যার লিমিটেডের বন্ধ ঘোষণা কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সোমবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিক্ষোভ শুরু করেছে শ্রমিকরা। এ সময় উত্তেজিত যেতে শ্রমিকরা ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এতে ওই পথে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পুলিশ ও কারখানা শ্রমিকরা জানান, গত ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৩ (১) ধারা মোতাবেক এম এম নীটওয়্যার ও মামুন নীটওয়্যার লিমিটেড কারখানা দুটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। পরে রোববার সকালে কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার মূল ফটোকে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে বিকেলে বাড়ি ফিরে যায়। তবে সোমবার সকালে ফের শ্রমিকরা কারখানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে তারা ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কে পৃথক দুটি স্থানে সড়ক অবরোধ করে। এতে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।
এর আগে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে কাজ বন্ধ করে দেয় শ্রমিকরা। পরে কর্তৃপক্ষ ১৮ ডিসেম্বর থেকে অনির্ষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
এম এম নীটওয়্যার লিমিটেডের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন জানান, গত ৩ নভেম্বর শিল্প পুলিশের এক সদস্যকে আঘাত করে শ্রমিকরা। পরে শিল্প পুলিশ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জন শ্রমিককে আসামি করে মামলা দায়ের করে। ওই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৭ ডিসেম্বর শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে দেয়। পরে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। এখন আবার কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা কারখানার সামনে এসে বিক্ষোভ করছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পরিদর্শক মো. মোর্শেদ জামান জানান, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে। তাদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট