ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক? নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত; আহত শতাধিক বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক রফিক নেন ৬ হাজার টাকা! পরিচ্ছন্নতা কর্মী আরিফুলের জায়গায় প্রক্সি দেয় রমজান বান্দরবানের কদুখোলায় ব্যতিক্রমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ মাস ১৫ দিনে হিফজ সম্পন্নের নজির মাগুরার মহম্মদপুরে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন বরগুনায় সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত খাল খননের মাধ্যমে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী ঢাকা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী শ্রীকাইলে ৫ নম্বর কূপ উদ্বোধন, প্রতিদিন মিলবে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত; আহত শতাধিক

নাদিম আহমেদ অনেক, স্টাফ রিপোর্টার-
বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনের পাশ্ববর্তী বাগবাড়ী এলাকায় নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত ঘটনা ঘটেছে । এঘটনায় শতাধিক ট্রেন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার ১৮মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীল সাগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের বাগবাড়ী দক্ষিণ পাড়া নামক স্থানে পৌঁছলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আতহদের উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তবে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় চালকের অদক্ষতা ও অবহেলাকে দায়ি করছেন।
জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে শত শত যাত্রী নীল সাগর ট্রেনযোগে সান্তাহার হয়ে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় এদিন সান্তাহার স্টেশন সংলগ্ন বগারবাড়ী নামক স্থানে রেল লাইনের কাজ চলছিল। কিন্তু নীল সাগর ট্রেনটি কিছু বুজে উঠার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে এসি চেয়ার ৭২৩৫, শোভন চেয়ার, ৭২৫০শোভন চেয়ার, ৭২২৭ শোভন চেয়ার ,৭৫১৩পাওয়ার কার,শোভন চেয়ার ৭৯০৫, ৭৯২৭ শোভন চেয়ার এবং শোভন চেয়ার ৭৯২৮বগি আছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৬২জন যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে অনেক যাত্রী নিজ নিজ উদ্যোগে চলে গেছে। তবে নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না কতো যাত্রী আহত হয়েছে।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের অধীনে দায়িত্বে থাকা ওয়েম্যান সোহেল বলেন, রেল ভেঙে যাওয়ার কারণে এখানে কাজ হচ্ছিল। কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেওয়া আছে। তারপরও লাল ব্যানার দেওয়া থাকে। সিগন্যাল ও লাল ব্যানার উপেক্ষা করে ট্রেনটি এসে দুর্ঘটনায় পড়ে। এমনকি হাতের সিগন্যালও মানেনি চালক। আমি মনে করি এটা ট্রেনের চালকের অবহেলার কারণে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জানতে চাইলে সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন মুঠোফোনে বলেন, কিভাবে এটা হলো এখন বলা যাবেনা। পরবর্তীতে বলা যাবে। কারণ এখন এখানে ট্রেনের ড্রাইভার নেই।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

কে হচ্ছেন মহম্মদপুর উপজেলা প্রশাসক?

নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত; আহত শতাধিক

আপডেট টাইম : ১০:৫৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
নাদিম আহমেদ অনেক, স্টাফ রিপোর্টার-
বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনের পাশ্ববর্তী বাগবাড়ী এলাকায় নীল সাগর ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত ঘটনা ঘটেছে । এঘটনায় শতাধিক ট্রেন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার ১৮মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীল সাগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের বাগবাড়ী দক্ষিণ পাড়া নামক স্থানে পৌঁছলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আতহদের উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তবে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় চালকের অদক্ষতা ও অবহেলাকে দায়ি করছেন।
জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে শত শত যাত্রী নীল সাগর ট্রেনযোগে সান্তাহার হয়ে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছিলেন। প্রতিদিনের ন্যায় এদিন সান্তাহার স্টেশন সংলগ্ন বগারবাড়ী নামক স্থানে রেল লাইনের কাজ চলছিল। কিন্তু নীল সাগর ট্রেনটি কিছু বুজে উঠার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এর মধ্যে এসি চেয়ার ৭২৩৫, শোভন চেয়ার, ৭২৫০শোভন চেয়ার, ৭২২৭ শোভন চেয়ার ,৭৫১৩পাওয়ার কার,শোভন চেয়ার ৭৯০৫, ৭৯২৭ শোভন চেয়ার এবং শোভন চেয়ার ৭৯২৮বগি আছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৬২জন যাত্রীকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দিয়েছে। এর আগে অনেক যাত্রী নিজ নিজ উদ্যোগে চলে গেছে। তবে নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না কতো যাত্রী আহত হয়েছে।
সান্তাহার জংশন স্টেশনের অধীনে দায়িত্বে থাকা ওয়েম্যান সোহেল বলেন, রেল ভেঙে যাওয়ার কারণে এখানে কাজ হচ্ছিল। কন্ট্রোল রুমে সিগন্যাল দেওয়া আছে। তারপরও লাল ব্যানার দেওয়া থাকে। সিগন্যাল ও লাল ব্যানার উপেক্ষা করে ট্রেনটি এসে দুর্ঘটনায় পড়ে। এমনকি হাতের সিগন্যালও মানেনি চালক। আমি মনে করি এটা ট্রেনের চালকের অবহেলার কারণে এতো বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জানতে চাইলে সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাদিজা খাতুন মুঠোফোনে বলেন, কিভাবে এটা হলো এখন বলা যাবেনা। পরবর্তীতে বলা যাবে। কারণ এখন এখানে ট্রেনের ড্রাইভার নেই।