মোঃ শাফায়েত হোসেন,মুরাদনগর (কুমিল্লা)|
কুমিল্লার মুরাদনগরের কৃষক মাওলা সরকারের খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এ দাবিতে বাঙ্গরা বাজার থানায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন তারা। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা এসময় বাঙ্গরা বাজার থানা প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন।
রবিবার (১২এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ- নবীনগর সড়কের বাঙ্গরা বাজারে পূর্বধৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। এসময় সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী। আধা ঘন্টা পর থানা পুলিশ এসে হত্যা মামলার আসামীদের আটকের আশ্বাস দিলে তাঁরা সড়ক ছেড়ে দেন। পরে বিচারের দাবিতে থানার সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরীহ কৃষককে রাতের আধারে নির্মমভাবে হত্যা করা হলেও এখনো পর্যন্ত মূল আসামীরা গ্রেপ্তার হয়নি। নিহত কৃষকের ৫টি শিশু সন্তান। তাদের সকলের বয়স ১ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। বক্তারা আরো বলেন, এখানে শুধু একজনকে হত্যা করা হয়নি। খুন করা হয়েছে পুরো একটা সাজানো পরিবার। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। নয়তো আরো কঠোর আন্দোলনে যাবেন বলে তারা জানান।
মহেশপুর গ্রামের ফিরোজ মিয়া বলেন, এ ধরনের নৃশংস ঘটনা শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য হুমকি। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাই। তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, যদি তারা আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদেরকে ধরতে ব্যর্থ হয় তাহলে এর চেয়ে কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী মাওলা সরকারের স্ত্রী ও তার স্বজনরা বলেন, আমরা আমাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছি। এখন আমরা শুধু হত্যাকারীদের বিচার চাই। দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।
উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার রাতে বাঙ্গরা বাজার থানাধীন মহেশপুর গ্রামের নিরহ কৃষক মাওলা সরকারকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। স্ক্রিমের সেচ প্রকল্প নিয়ে পূর্ব বিরুধের জেরে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল কাদের বলেন, এজাহার নামীয় মামলার ৯ নাম্বার আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হেডলাইন সুন্দর একটা হেডলাইন তৈরি করে লিখে সংযোগ করে দিন।
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 




















