ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন: আচমিতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান সিংগাইরে মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান এমপি শান্তর অধিভুক্ত কলেজগুলোকে সবুজায়নের অন্তর্ভুক্ত করা হবে: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সোনারগাঁয়ে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আহত ৭ দুই আমলেই সুবিধাভোগী হাকিম খান: একের পর এক অপকর্মে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বিএনপি ‘প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের’ নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সংবাদ প্রকাশের পর গোলাম রব্বানীর হুমকির সম্মুখিন ভুক্তভোগীরা প্রমোট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতারণা সিরাজদীখানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমান বাউবিতে সশস্ত্র বাহিনীর সাথে নিশ-১ প্রোগ্রামের সমন্বয় সেলের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত কালাইয়ে ৫০৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

চিকিৎসক সংকটে মুরাদনগরের বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র

মোঃ শাফায়েত হোসেন, মুরাদনগর (কুমিল্লা) |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরে অবস্থিত বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। মেডিক্যাল অফিসার না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯০০ সালে “শান্তি দাতব্য চিকিৎসালয়” নামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে এটি বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে পুনঃস্থাপিত হয়। প্রায় ১২৬ বছরের পুরোনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। বর্তমানে একজন উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও একজন ফার্মাসিস্ট সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জরুরি রোগীদের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবকাঠামোগত বড় কোনো সমস্যা না থাকলেও বাউন্ডারি দেয়াল না থাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আবর্জনা ফেলা ও উন্মুক্তভাবে প্রস্রাব করাঐ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া সন্ধ্যার পর হাসপাতাল এলাকা মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন ও হারিছ মিয়া জানান, দ্রুত একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে এলাকার হাজারো মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পেত। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসক না থাকায় সীমিত জনবল নিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। একজন ডাক্তার নিয়োগ হলে এলাকার মানুষ আরও ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, ‘চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনকল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন: আচমিতা ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান

চিকিৎসক সংকটে মুরাদনগরের বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র

আপডেট টাইম : ০২:১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মোঃ শাফায়েত হোসেন, মুরাদনগর (কুমিল্লা) |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরে অবস্থিত বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। মেডিক্যাল অফিসার না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯০০ সালে “শান্তি দাতব্য চিকিৎসালয়” নামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে এটি বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে পুনঃস্থাপিত হয়। প্রায় ১২৬ বছরের পুরোনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। বর্তমানে একজন উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও একজন ফার্মাসিস্ট সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জরুরি রোগীদের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবকাঠামোগত বড় কোনো সমস্যা না থাকলেও বাউন্ডারি দেয়াল না থাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আবর্জনা ফেলা ও উন্মুক্তভাবে প্রস্রাব করাঐ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া সন্ধ্যার পর হাসপাতাল এলাকা মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন ও হারিছ মিয়া জানান, দ্রুত একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে এলাকার হাজারো মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পেত। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসক না থাকায় সীমিত জনবল নিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। একজন ডাক্তার নিয়োগ হলে এলাকার মানুষ আরও ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, ‘চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট