ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

চিকিৎসক সংকটে মুরাদনগরের বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র

মোঃ শাফায়েত হোসেন, মুরাদনগর (কুমিল্লা) |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরে অবস্থিত বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। মেডিক্যাল অফিসার না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯০০ সালে “শান্তি দাতব্য চিকিৎসালয়” নামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে এটি বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে পুনঃস্থাপিত হয়। প্রায় ১২৬ বছরের পুরোনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। বর্তমানে একজন উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও একজন ফার্মাসিস্ট সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জরুরি রোগীদের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবকাঠামোগত বড় কোনো সমস্যা না থাকলেও বাউন্ডারি দেয়াল না থাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আবর্জনা ফেলা ও উন্মুক্তভাবে প্রস্রাব করাঐ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া সন্ধ্যার পর হাসপাতাল এলাকা মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন ও হারিছ মিয়া জানান, দ্রুত একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে এলাকার হাজারো মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পেত। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসক না থাকায় সীমিত জনবল নিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। একজন ডাক্তার নিয়োগ হলে এলাকার মানুষ আরও ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, ‘চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

চিকিৎসক সংকটে মুরাদনগরের বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র

আপডেট টাইম : ০২:১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মোঃ শাফায়েত হোসেন, মুরাদনগর (কুমিল্লা) |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা সদরে অবস্থিত বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। মেডিক্যাল অফিসার না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। ফলে এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

১৯০০ সালে “শান্তি দাতব্য চিকিৎসালয়” নামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৭ সালে এটি বাঙ্গরা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে পুনঃস্থাপিত হয়। প্রায় ১২৬ বছরের পুরোনো এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এখানে কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই। বর্তমানে একজন উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও একজন ফার্মাসিস্ট সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জরুরি রোগীদের প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবকাঠামোগত বড় কোনো সমস্যা না থাকলেও বাউন্ডারি দেয়াল না থাকায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আবর্জনা ফেলা ও উন্মুক্তভাবে প্রস্রাব করাঐ দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া সন্ধ্যার পর হাসপাতাল এলাকা মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন ও হারিছ মিয়া জানান, দ্রুত একজন চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হলে এলাকার হাজারো মানুষ সহজেই চিকিৎসাসেবা পেত। একই সঙ্গে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণের দাবি জানান তারা।

উপসহকারী মেডিক্যাল অফিসার আক্তার হোসেন বলেন, ‘চিকিৎসক না থাকায় সীমিত জনবল নিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। একজন ডাক্তার নিয়োগ হলে এলাকার মানুষ আরও ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান বলেন, ‘চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চলছে।


প্রিন্ট