প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের অধিনে পরিচালিত হচ্ছে। কথিত আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠান হওয়ায় আউট সোর্সিং এর চুক্তি বাতিল করে পুনরায় আওয়়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করা হয়েছে। মধ্যখানে কিছু অসহায় ব্যক্তি চাকুরী হারিয়েছে। আর লাভবান হয়েছে মন্ত্রী , প্রতিমন্ত্রী , ডিজি সহ সংশ্লিষ্টরা । কারণ নুতন প্রতিষ্ঠিানকে কাজ দিতে যেয়ে নতুনভাবে আর্থিক চুক্তি করা হয়েছে আবার নুতন চাকুরী যাদের দিবে তাদের নিকট হতে জনপ্রতি ১,৫০,০০০/-( দেড় লক্ষ) হতে ২,০০.০০০/( দুই লক্ষ) করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। নুতনভাবে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়া হয়েছে তাদের মধো অন্যতম: ১. জেরিন সিকিউরটিজ সার্ভিস, যার মালিক কবির হোসেন,আওয়ামী লীগের এমপি প্রাথী ছিলেন। ২. রাখা সিকিউরিটজ , যার মালিক হাফিজুর রহমান, কলেজ ছাত্র লীগের সভাপতি ছিলেন।
৩. নর্থ বেংগল সিকিউরিটি সার্ভিস লি: যার মালিক জাহিদ হোসেন , আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এবং ভাই ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন । ৪. এমাজুজ সিকিউরটি, মালিক বেনজির হোসেন নিশি কেন্দ্রীয়় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি এবং পার্টনার সুজন ছাত্রলীগের মহানগরের সহ সভাপতি। ৫. মেসার্স রেডিসন সিকিউরিটি যার মালিক ফারুক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা।৬. মেসার্স ধলেশ^রী সিকিউরিটি সার্ভিস লি:, যার মালিক আতিকুল ইসলাম, তিনি আওয়ামী নেতা এবং সাভারে লোক পুড়িয়ে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামী।
বিএনপি সরকার গঠনের পর এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কয়ে়কশত আউট সোর্সিং পদে নিয়োগ দেয়া হয়ে়ছে সবগুলি টাকার বিনিময়ে। (শুধুমাত্র মন্ত্রী এবং প্রতি মন্ত্রীর এলাকার লোকছাড়া)।
প্রুভেন বুল প্রকল্পে যে জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে তার মধো ৮/১০ জন ছাড়া বাকী সব আওয়ামী পরিবারের লোক । খোঁজ নিলে প্রমাণ মিলবে। এমনিভাবে যে সকল জনবল নিয়োগ দেয়া হয়ে়ছে তার ৮০% আওয়ামী পন্থী এবং টাকার বিনিময়ে যা সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বললেই প্রমানিত হবে।
এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর চলছেই যারা ৪ ঠা আগষ্ট ২০২৪ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পক্ষে শান্তি মিছিল করেছিলেন তাদের নেতৃত্বে। ঐ আমলের পিডি/ পরিচালকরা এখনো বহাল তবিয়তে দাপটের সাথে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর পরিচালনা করে যাচ্ছেন । কেবলমাত্র ডিজি, পরিচালক / উপ পরিচালক (প্রশাসন) ও ২/১ জন ছাড়া অন্যরা (আর্থিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে) বহাল তবিয়তে রয়ে গেছেন। এবং তারা সরকারের সকল উন্নয়ন মুলক কাজে অসহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
বিষয়টি গোয়ে়ন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে সচেতন কর্মকর্তা ও কর্মচারিগন।
প্রিন্ট
বিশেষ প্রতিবেদক : 



















