ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার পঞ্চগড়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও অপপ্রচার প্রতিরোধে প্রেস কাউন্সিলের কর্মশালা গাজীপুরে অবৈধভাবে কৃষিজমি ভরাটের দায়ে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্ব পেলেন সুদীপ বসাক গাজীপুরে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার হিসাবের দ্বন্দ্বে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: ৪ জন গ্রেপ্তার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জয়পুরহাটে বিজিবির নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শন পঞ্চগড়ের ২৬৮ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় এসআরবির বিশেষ ব্যবস্থা মাগুরায় ইয়াবা ও নগদ ৬ লাখ টাকাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কালিহাতীর বল্লা হাটে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

গাজীপুরে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার হিসাবের দ্বন্দ্বে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

মো: রাসেল মিয়া |
বিদেশে থাকাকালে পাঠানো টাকার হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে হাসনা আক্তার (২০) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে হায়দরাবাদের শুকুন্দিরবাগ এলাকায় মাওরারটেক রেললাইনের কাছে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
অভিযুক্ত রফিকুল নওগাঁ জেলার মান্দা থানার বড়ট্রকাঠের ডাংগা গ্রামের মৃত সিরাজ মণ্ডলের ছেলে। নিহত হাসনা আক্তার অভিযুক্ত রফিকুলের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় চার বছর আগে হাসনা আক্তারের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। রফিকুল সম্প্রতি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। বিদেশে থাকার সময় পাঠানো টাকার হিসাব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়। এরই জেরে রবিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার খাইলকুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে হাসনাকে পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় নিয়ে যান রফিকুল। সেখানে মাওরারটেক রেললাইনের কাছে নির্জন স্থানে ছুরি দিয়ে তার গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

হাসনার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তারা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন এবং রফিকুলকে আটক করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক রফিকুলকে হেফাজতে নেয়। হাসনাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি রেললাইনের সীমানার কাছে হওয়ায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ ও আটক ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানার (জিআরপি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার

গাজীপুরে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার হিসাবের দ্বন্দ্বে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ১২:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মো: রাসেল মিয়া |
বিদেশে থাকাকালে পাঠানো টাকার হিসাব চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে হাসনা আক্তার (২০) নামে এক নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামকে (২৮) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে হায়দরাবাদের শুকুন্দিরবাগ এলাকায় মাওরারটেক রেললাইনের কাছে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
অভিযুক্ত রফিকুল নওগাঁ জেলার মান্দা থানার বড়ট্রকাঠের ডাংগা গ্রামের মৃত সিরাজ মণ্ডলের ছেলে। নিহত হাসনা আক্তার অভিযুক্ত রফিকুলের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় চার বছর আগে হাসনা আক্তারের সঙ্গে রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। রফিকুল সম্প্রতি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। বিদেশে থাকার সময় পাঠানো টাকার হিসাব নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়। এরই জেরে রবিবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার খাইলকুর এলাকার ভাড়া বাসা থেকে হাসনাকে পূবাইলের হায়দরাবাদ এলাকায় নিয়ে যান রফিকুল। সেখানে মাওরারটেক রেললাইনের কাছে নির্জন স্থানে ছুরি দিয়ে তার গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

হাসনার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন। তারা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন এবং রফিকুলকে আটক করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক রফিকুলকে হেফাজতে নেয়। হাসনাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি রেললাইনের সীমানার কাছে হওয়ায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ ও আটক ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানার (জিআরপি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


প্রিন্ট