মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী ইউপির রায়পুর গ্রামের দুই ভাইয়ের বিরোধপূর্ণ জমিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাগুরা এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ এবং ১৪৫ ধারা জারি করা হয়। জানা গেছে বাবুখালী ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের বাসিন্দা সালাম সরদারের বড় ছেলে তপু সরদার স্থিতাবস্থা জারি করান।
সুত্রে জানা যায়, তপু সরদারের ছোট ভাই হুমায়ুন সরদারসহ চার ভাইয়ের ২০ শতাংশের একটি জমি পতিত অবস্থায় আছে। হুমায়ুন সরদার কোন ভাইকে না জানিয়ে জমির গাছপালা কেটে বাড়ী করবে। এই নিয়ে ভাইদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ৩ ভাই এক দিকে থাকলেও হুমায়ুন সরদার জোর করে তার খেয়াল খুশি মতো ২০ শতাংশের জমিতে ঘর তুলবে, নিষেধ করলেও নিষেধ অমান্য করে ঘর তুলতে যায়। পরবর্তীতে তপু সরদার বাদী হয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মাগুরা থেকে স্থিতাবস্থা যা ১৪৪/১৪৫ ধারা জারী করান এবং তখনও জমিতে কোন ঘর ছিলোনা।
স্থিতাবস্থা জারির পর বাবুখালীর ফাড়ীর এএসআই সুজনকে ম্যানেজ করে হুমায়ুন সরদার ঘর তুলেন ও গাছ পালা কেটে সাফ করে দেয়।
বাদী তপু সরদার বুধবার এএসআই সুজনকে বিষয়টি আবগত করলেও সুজন বাদীকে তোয়াক্কা না করে বিবাদী হুমায়ুন সরদারের পক্ষ নিয়ে ঘর তুলে দেন। তপু সরদার উপায়ন্তর না পেয়ে বৃহস্পতিবার মহম্মদপুর থানার ওসিকে অবগত করলে ওসি হুমায়ুন সরদারকে গ্রেফতারের নির্দেষ দিলেও এএসআই সুজন গ্রেফতার করেননি। আদালতের স্থিতাবস্থা থাকা সত্বেও এএসআই সুজন বিবাদীর পক্ষে গিয়ে জমিতে কাজের সহযোগীতা করলেন। আদালতের নির্দেষকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখি এখনও বহাল তবিয়্যতে রয়েছেন। এব্যাপারে মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালীল ফাড়ীর এএসআই সুজনের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমি চেষ্টায় আছি তাদের ভাইদের বিষয়টি মিমাংশা করার জন্য।
প্রিন্ট
মহম্মদপুর প্রতিনিধি : 











