ঢাকা ০২:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য শালিখায় মাদরাসা সুপারের অবহেলায় শিক্ষার্থীর জীবন সংকটাপন্ন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে বহিরাগত ব্যক্তির প্রভাবের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি শালিখায় পাণ্ডুলিপি সংগ্রহশালা ও পাঠাগার এর শুভ উদ্বোধন বান্দরবানে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের নানা আয়োজন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ গাজীপুরের শ্রীপুরে মধ্যরাতের আগুনে পুড়ল মসজিদসহ একাধিক স্থাপনা বরগুনায় ১৬ সাংবাদিকের মাঝে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের অনুদানের চেক বিতরণ বান্দরবানের সুয়ালক চেক স্টেশনে টিপি পরীক্ষার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ গাজীপুরের ভাওয়াল রাজদিঘীসহ সব খাস পুকুর উদ্ধারের দাবি

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

আপডেট টাইম : ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।


প্রিন্ট