ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মির্জাগঞ্জের প্রবীন সাংবাদিক মরহুম আঃ মান্নান মিয়া এর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পেপারলেস হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বরগুনার তালতলীতে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগ নেতাসহ গ্রেফতার ২ বরগুনায় প্রথম, বাল্যবিবাহকে ‘না’ বললো আমতলী গাজীপুরে শ্রীপুরে বিন্দুবাড়ী গাউসুল আজম মাদ্রাসার এডহক কমিটি গঠন শিক্ষার আলো ছড়ানো ক্যাপ্টেন নরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪৩ তম জন্মবার্ষিকী পালিত গুরুদাসপুরে সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে জীবিকা উপকরণ ও অনুদানের চেক বিতরণ রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভাঙচুর, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় ‘প্রমোট ফাউন্ডেশন’র নামে অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদ্রাসা সুপার গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে বায়তুল আমান হাউজিংয়ে নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন, অনুমোদনের বাইরে বাড়তি নির্মাণের অভিযোগ

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাগঞ্জের প্রবীন সাংবাদিক মরহুম আঃ মান্নান মিয়া এর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী

নিউজ প্রকাশের পর-বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসনের অভিযান, রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা ব্রিজসংলগ্ন অবৈধ বালু উত্তোলনে জড়িত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

আপডেট টাইম : ১২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

রেইছা–গোয়ালিয়াখোলা এলাকায় রাতের আঁধারে চলা অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই বান্দরবান সদর উপজেলা প্রশাসন তৎপর হয়। বুধবার দুপুরে মোবাইল কোর্ট টিম ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে গেলেও নদীর তীরের মাটি ধস এবং স্থানীয়দের বর্ণনা নিশ্চিত করেছে—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ঘটছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে পরিবেশ আইনের আওতায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য বলা হয়।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। জড়িত তিন ব্যক্তির নাম। তারা হলেন
বান্দরবান জেলা যুবদলের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাজী মো. হেলাল উদ্দীন (৪৯), সুয়ালক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম (৩৮), বান্দরবান সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোরশেদুল আলম (৪৭)
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে নদীর চরে বালু উত্তোলন নিয়মিত হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চলছিল।
এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,
অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। ব্রিজ, রাস্তা এবং আশপাশের বসতবাড়ি ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে।
এ বিষয়ে বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হীরামনি বলেন,
মোবাইল কোর্ট অভিযান শেষে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করলে সাঙ্গু নদী ও গোয়ালিয়াখোলা এলাকার ভাঙন রোধ করা সম্ভব।তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।


প্রিন্ট