ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

শিক্ষার্থীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে শেষে দৌড়ে পালালেন পঞ্চগড়ের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক ও বোদা উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান আবারও বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে তিনি নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, আগের দিন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এদিন সকালে অফিসে এসে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিসে আসা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তিনি কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেন এবং উত্তেজিত হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো কার্যালয়জুড়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও ওই কর্মকর্তার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীরা বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান দ্রুত কার্যালয় ত্যাগ করে দৌড়ে সেখান থেকে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেন এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন?

ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

শিক্ষার্থীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে শেষে দৌড়ে পালালেন পঞ্চগড়ের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

আপডেট টাইম : ০৩:০৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বাবুল হোসেন, পঞ্চগড় |
পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক ও বোদা উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান আবারও বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে তিনি নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, আগের দিন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এদিন সকালে অফিসে এসে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিসে আসা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তিনি কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেন এবং উত্তেজিত হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো কার্যালয়জুড়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও ওই কর্মকর্তার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীরা বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান দ্রুত কার্যালয় ত্যাগ করে দৌড়ে সেখান থেকে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেন এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন?

ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


প্রিন্ট