ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট টাইম : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট