ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

লামায় ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট টাইম : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মো: সুমন, বান্দরবান প্রতিনিধি |
বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০৯৭টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা ৩০০নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান, লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মঈন উদ্দিন এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি—স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি” এই প্রত্যয়ে সরকার প্রান্তিক মানুষের জন্য নতুন এই কর্মসূচি চালু করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড এখন আর স্বপ্ন নয়, এটি বাস্তবতা। পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এই কার্ডের আওতায় দেওয়া আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বর্তমান বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে। পাশাপাশি সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লামা উপজেলায় প্রথম ধাপে মোট ১০৯৭টি পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধা পাবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতীকীভাবে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৫ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত ভাতার সহায়তায় তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


প্রিন্ট