মোঃ শাফায়েত হোসেন, মুরাদনগর (কুমিল্লা) |
বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদিত গ্যাস হোমনা-তিতাসের বুক চিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হলেও নতুন গ্যাস সংযোগ থেকে বছরের পর বছর বঞ্চিত রয়েছেন এ অঞ্চলের বহু পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিনের এই জনদাবির বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।
জাতীয় সংসদের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি সরকারের কাছে জানতে চান, বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের গ্যাস দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হলেও হোমনা-তিতাস এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সম্প্রসারণের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হতে পারে।
জবাবে সরকার জানায়, হোমনা ও তিতাস উপজেলায় ১৯৯১-৯২ সাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রম চালু রয়েছে এবং বর্তমানে তা অব্যাহত আছে। তবে দেশে উৎপাদিত গ্যাসের ঘাটতি এবং আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
সংসদে বিষয়টি উত্থাপনের পর এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে নতুন সংযোগের অপেক্ষায় থাকা হাজারো গ্রাহকের ন্যায্য দাবির বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরেছেন সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া।
হোমনা উপজেলার ব্যবসায়ী মো. রোবেল রানা বলেন, “আমাদের এলাকার ওপর দিয়েই গ্যাস সরবরাহ লাইন গেছে। অথচ নতুন সংযোগ বন্ধ থাকায় অনেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠান এখনও এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। সংসদে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ায় আমরা আশাবাদী।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনগণের সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে তুলে ধরা একজন জনপ্রতিনিধির অন্যতম দায়িত্ব। অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়ার এ উদ্যোগের ফলে হোমনা-তিতাসে গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণের দাবি আবারও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, জাতীয় গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকার হোমনা-তিতাসে নতুন গ্যাস সংযোগ চালুর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের নিকটবর্তী এই অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেবে।
প্রিন্ট
খবর বাংলাদেশ ডেস্ক : 



















