ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ তাড়াইলে সিএনজি শ্রমিক সংগঠনের নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক পদযাত্রা বর্ণ ধর্ম দেখে নয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা পাবে ত্রাণ সহায়তা: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফর ঘিরে সিটি কর্পোরেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে গাজীপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ ডিসি-এসপির দ্রুত পদক্ষেপে খাগড়াছড়িতে বন্ধ হল জুয়ার আসর জয়পুরহাটে ধানক্ষেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার লগআউট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের স্টুডিও অফিসের আনুষ্ঠানিক যাত্রার শুভ উদ্বোধন পঞ্চগড়ে পুলিশের মাথা ফাটিয়ে পালালো গরু চোর কুমিল্লার মুরাদনগরে মা–মেয়ের বিষপানে আত্মহত্যা

গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

পবিত্র মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকা, পল্লবী ও রুপনগরে, গুম ও শহীদ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের হাতে রমজান ও ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাদ, কালশী ও এভিনিউ-৫ সহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান আমিনুল হক। এ সময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যার কথা শোনেন তিনি। গুম ও শহীদ হওয়া নেতাকর্মীদের স্বজনদের সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রিয়জনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসময় অনেক পরিবারের সদস্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জানান, রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে আমিনুল হক তাদের কখনো ভুলে যাননি এবং বারবার পাশে দাঁড়িয়ে একজন প্রকৃত মানবিক নেতার পরিচয় দিয়েছেন।

এদিন যেসব পরিবারের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে শহীদ আসিফ ইকবালের পরিবার, ২০১৩ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারার পরিবার, শহীদ মকবুল হোসেনের পরিবার, শহীদ রমজান মিয়া জীবনের পরিবার এবং ২০১৫ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলমের পরিবার।

পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, “গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী নন; তারা এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। তাদের এই ত্যাগের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, তবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ ও গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাদের স্মৃতি ধারণ করেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

রমজানের এই মানবিক উদ্যোগকে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল একটি সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না; বরং একে দেখছেন ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। তাদের মতে, ক্ষমতা বা পদ নয়—বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক নেতার আসল পরিচয়, যা আমিনুল হক আবারও প্রমাণ করলেন।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আদমদিঘীর আনিকা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনায় অ্যাপ

গুম ও শহীদ পরিবারের পাশে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আপডেট টাইম : ০২:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজ নির্বাচনী এলাকা, পল্লবী ও রুপনগরে, গুম ও শহীদ বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাদের হাতে রমজান ও ঈদের সামগ্রী তুলে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাদ, কালশী ও এভিনিউ-৫ সহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান আমিনুল হক। এ সময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যার কথা শোনেন তিনি। গুম ও শহীদ হওয়া নেতাকর্মীদের স্বজনদের সবসময় পাশে থাকার দৃঢ় আশ্বাস প্রদান করেন।

প্রিয়জনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসময় অনেক পরিবারের সদস্য আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জানান, রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে আমিনুল হক তাদের কখনো ভুলে যাননি এবং বারবার পাশে দাঁড়িয়ে একজন প্রকৃত মানবিক নেতার পরিচয় দিয়েছেন।

এদিন যেসব পরিবারের হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে শহীদ আসিফ ইকবালের পরিবার, ২০১৩ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারার পরিবার, শহীদ মকবুল হোসেনের পরিবার, শহীদ রমজান মিয়া জীবনের পরিবার এবং ২০১৫ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলমের পরিবার।

পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, “গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী নন; তারা এই দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। তাদের এই ত্যাগের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, তবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ ও গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না। তাদের স্মৃতি ধারণ করেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।

রমজানের এই মানবিক উদ্যোগকে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল একটি সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না; বরং একে দেখছেন ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে। তাদের মতে, ক্ষমতা বা পদ নয়—বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক নেতার আসল পরিচয়, যা আমিনুল হক আবারও প্রমাণ করলেন।