ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

মিরপুর বিআরটিএ ট্রাফিক পুলিশের অভিযান আটক ২

  • আবুল কাশেম :
  • আপডেট টাইম : ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ১০৩০ বার পড়া হয়েছে

গত সোমবার (০৪ আগস্ট ২৫) বিকালে মিরপুর-১৩ বিআরটি এর সামনে হুমায়ুন রশীদ ও নুরুল ইসলাম সৈকত এর দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রাজধানীর মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশান শাখার ভুয়া সিল ও সাইন সহ প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের চৌকস টিম।আসামীরা হলেন, সিলেট জেলার কানাইঘাট থানার নিজচাওড়া উত্তর গ্রামের মো: আলাউদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন রশীদ ও চট্টগ্রাম জেলার কাউখালি থানার চৌধুরীপাড়া গ্রামের মো: করিমের ছেলে নুরুল ইসলাম সৈকত।
মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের অফিস সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকায় মো: সেলিম ও মো: আসাদ নামে দুজন ব্যক্তি মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ এর প্রসিকিউশান শাখায় ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স নিতে আসলে দেখা যায় তাদের জিডি কপিতে আগে থেকে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের প্রসিকিউশান শাখার ভুয়া সিল ও সাইন ব্যবহার করা আছে।
মিরপুর ১৩ বিআরটি এর পাশে একটি দোকানে এমন জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় মর্মে জানা যায়৷ ডিসি ট্রাফিক মিরপুর গৌতম কুমার বিশ্বাস’কে বিষয়টি অবগত করা হলে প্রাথমিক অনুসন্ধান করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মূল রহস্য উদঘাটন করার জন্য ডিসি ট্রাফিক মিরপুর তাৎক্ষণিক একটি টিম গঠন করে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নির্দেশনা প্রদান করে ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন। টিম ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ এর সদস্যগণ হলেন, পুলিশ সার্জেন্ট মো: নাজমুল হোসেন, শিহাব, জাকারিয়া, পূজা ও সার্জেন্ট পান্না। উক্ত সদস্য গন ঘটানাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রতারক ও জালিয়াতি চক্রের মূলহোতাসহ দুইজনকে প্রমাণসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন এবং চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেন।
প্রতারক চক্র গ্রেফতারের সময় টিম ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের সাথে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাইদ এর একটা টিম আনুষাঙ্গিক সহযোগিতা করেন।
বিআরটি’র আদালত-০৯ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাসমিয়া জায়গীরদার প্রতারক চক্রের স্বীকারোক্তি ও অন্যান্য প্রমাণাদি যাচাই পূর্বক উক্ত প্রতারক চক্রের দুজনকে ৬ মাস এর কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদেশ অনুযায়ী আসামীদেরকে কাফরুল থানার এ এস আই মেহেদী হাসান কারাগারে পেরন করেন।
সার্জেন্ট নাজমুল হোসেন জানান, কিছুদিন আগে থেকে এই প্রতারক চক্রের জালিয়াতির বিষয় আমাদের কাছে তথ্য প্রমাণ ছিলো। ডিসি ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ গৌতম কুমার বিশ্বাস দিকনির্দেশনায় আমরা উক্ত আসামীদের আটক করতে সক্ষম হই।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

মিরপুর বিআরটিএ ট্রাফিক পুলিশের অভিযান আটক ২

আপডেট টাইম : ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

গত সোমবার (০৪ আগস্ট ২৫) বিকালে মিরপুর-১৩ বিআরটি এর সামনে হুমায়ুন রশীদ ও নুরুল ইসলাম সৈকত এর দোকানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রাজধানীর মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশান শাখার ভুয়া সিল ও সাইন সহ প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের চৌকস টিম।আসামীরা হলেন, সিলেট জেলার কানাইঘাট থানার নিজচাওড়া উত্তর গ্রামের মো: আলাউদ্দিনের ছেলে হুমায়ুন রশীদ ও চট্টগ্রাম জেলার কাউখালি থানার চৌধুরীপাড়া গ্রামের মো: করিমের ছেলে নুরুল ইসলাম সৈকত।
মিরপুর ট্রাফিক বিভাগের অফিস সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুপুর ২ ঘটিকায় মো: সেলিম ও মো: আসাদ নামে দুজন ব্যক্তি মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ এর প্রসিকিউশান শাখায় ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স নিতে আসলে দেখা যায় তাদের জিডি কপিতে আগে থেকে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের প্রসিকিউশান শাখার ভুয়া সিল ও সাইন ব্যবহার করা আছে।
মিরপুর ১৩ বিআরটি এর পাশে একটি দোকানে এমন জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় মর্মে জানা যায়৷ ডিসি ট্রাফিক মিরপুর গৌতম কুমার বিশ্বাস’কে বিষয়টি অবগত করা হলে প্রাথমিক অনুসন্ধান করেন এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় মূল রহস্য উদঘাটন করার জন্য ডিসি ট্রাফিক মিরপুর তাৎক্ষণিক একটি টিম গঠন করে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও নির্দেশনা প্রদান করে ঘটনাস্থলে প্রেরণ করেন। টিম ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ এর সদস্যগণ হলেন, পুলিশ সার্জেন্ট মো: নাজমুল হোসেন, শিহাব, জাকারিয়া, পূজা ও সার্জেন্ট পান্না। উক্ত সদস্য গন ঘটানাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রতারক ও জালিয়াতি চক্রের মূলহোতাসহ দুইজনকে প্রমাণসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন এবং চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেন।
প্রতারক চক্র গ্রেফতারের সময় টিম ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের সাথে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাইদ এর একটা টিম আনুষাঙ্গিক সহযোগিতা করেন।
বিআরটি’র আদালত-০৯ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তাসমিয়া জায়গীরদার প্রতারক চক্রের স্বীকারোক্তি ও অন্যান্য প্রমাণাদি যাচাই পূর্বক উক্ত প্রতারক চক্রের দুজনকে ৬ মাস এর কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদেশ অনুযায়ী আসামীদেরকে কাফরুল থানার এ এস আই মেহেদী হাসান কারাগারে পেরন করেন।
সার্জেন্ট নাজমুল হোসেন জানান, কিছুদিন আগে থেকে এই প্রতারক চক্রের জালিয়াতির বিষয় আমাদের কাছে তথ্য প্রমাণ ছিলো। ডিসি ট্রাফিক মিরপুর বিভাগ গৌতম কুমার বিশ্বাস দিকনির্দেশনায় আমরা উক্ত আসামীদের আটক করতে সক্ষম হই।


প্রিন্ট