ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর গাজীপুরে ব্রি পরিদর্শনে কৃষিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ইউএনও ফাহমিদা সুলতানার উদ্যোগে খাল পুনঃখনন, সরকারি কোষাগারে ফেরত ৩ লাখ ৩ হাজার ২৫৫ টাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ সড়ক, নৌ ও রেলমন্ত্রী’র সঙ্গে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ বারিতে কৃষি বিজ্ঞানীদের সাথে মতবিনিময় ও রিভিউ কর্মশালার উদ্বোধন নদী ভাঙ্গনে মানচিত্র থেকে ছোট হয়ে যাচ্ছে মির্জাগঞ্জ: নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত প্রান্তে ১’শ বছরের মসজিদ এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ ৩ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ৪ লাখ টাকা জরিমানা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছয় মাসে ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রশাসনের নির্দেশনা উপেক্ষা, ভিমরুলী পেয়ারাবাগানে একের পর এক দুর্ঘটনা: কঠোর পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীর

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তির পরও অফিসে অনুপস্থিত টেবুনিয়া বিএডিসি কর্মকর্তা

পাবনার টেবুনিয়া বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে কর্মরত সহকারী পরিচালক (বীপ্র) কৃষিবিদ মোঃ মাহমুদুল হাসান খানের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর বিএডিসি কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় মামলা রুজু করে। তদন্ত শেষে সতর্কবার্তা দিয়ে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অফিস করার অঙ্গীকারনামা নেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই সতর্কবার্তা ও অঙ্গীকারনামার পরও গত ৬ থেকে ৭ মাস পর্যন্ত তিনি অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসে গিয়ে দেখা যায় অফিস কক্ষে তালা ঝুলছে, জানা যায় গত ৬-৭ মাস যাবত তিনি অফিসে আসেন না।

গত ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে তিনি অনুমোদন ছাড়া টানা ২১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। একাধিকবার শোকজ করা হলেও কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (মামলা নং-২৩/২০২৩) রুজু করা হয়। তবে সার্বিক বিবেচনায় তাকে কঠোর শাস্তি না দিয়ে সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আর না করার জন্য লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীদের অভিযোগ, মামলা নিষ্পত্তির পরও তিনি দায়িত্ব পালনে উদাসীন। অফিসের কাজে তাকে দেখা যায় না, অথচ নিয়মিতভাবে বেতন তুলছেন। এমন আচরণে সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

যুগ্ম পরিচালক (বীপ্র), বিএডিসি টেবুনিয়া, মোঃ মহিবুর রহমান বলেন, “বারবার শোকজ করা হলেও তিনি জবাব দেননি। মামলা নিষ্পত্তির পরও অফিসে না আসাটা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়।”

বিএডিসি কর্মচারী চাকুরি প্রবিধানমালা ১৯৯০ অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণ শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। কিন্তু অনুপস্থিতি ও নিয়ম ভঙ্গের পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে পদে রয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

স্থানীয়রা বলছেন, অদৃশ্য শক্তির প্রভাবের কারণেই তিনি বারবার অভিযোগ সত্ত্বেও বহাল আছেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও bKash এর চুক্তি স্বাক্ষর

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তির পরও অফিসে অনুপস্থিত টেবুনিয়া বিএডিসি কর্মকর্তা

আপডেট টাইম : ০২:০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পাবনার টেবুনিয়া বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে কর্মরত সহকারী পরিচালক (বীপ্র) কৃষিবিদ মোঃ মাহমুদুল হাসান খানের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর বিএডিসি কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় মামলা রুজু করে। তদন্ত শেষে সতর্কবার্তা দিয়ে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অফিস করার অঙ্গীকারনামা নেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়।

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ওই সতর্কবার্তা ও অঙ্গীকারনামার পরও গত ৬ থেকে ৭ মাস পর্যন্ত তিনি অফিসে উপস্থিত হচ্ছেন না। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসে গিয়ে দেখা যায় অফিস কক্ষে তালা ঝুলছে, জানা যায় গত ৬-৭ মাস যাবত তিনি অফিসে আসেন না।

গত ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে তিনি অনুমোদন ছাড়া টানা ২১ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। একাধিকবার শোকজ করা হলেও কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে ১০ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা (মামলা নং-২৩/২০২৩) রুজু করা হয়। তবে সার্বিক বিবেচনায় তাকে কঠোর শাস্তি না দিয়ে সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আর না করার জন্য লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও সহকর্মীদের অভিযোগ, মামলা নিষ্পত্তির পরও তিনি দায়িত্ব পালনে উদাসীন। অফিসের কাজে তাকে দেখা যায় না, অথচ নিয়মিতভাবে বেতন তুলছেন। এমন আচরণে সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

যুগ্ম পরিচালক (বীপ্র), বিএডিসি টেবুনিয়া, মোঃ মহিবুর রহমান বলেন, “বারবার শোকজ করা হলেও তিনি জবাব দেননি। মামলা নিষ্পত্তির পরও অফিসে না আসাটা অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়।”

বিএডিসি কর্মচারী চাকুরি প্রবিধানমালা ১৯৯০ অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণ শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। কিন্তু অনুপস্থিতি ও নিয়ম ভঙ্গের পরও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে পদে রয়েছেন। এতে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।

স্থানীয়রা বলছেন, অদৃশ্য শক্তির প্রভাবের কারণেই তিনি বারবার অভিযোগ সত্ত্বেও বহাল আছেন।


প্রিন্ট