ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বান্দরবান রুমায় ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ গাছা ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা কে এই দালাল জহির? মুরাদনগরে ভেজাল খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান: ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, একটির কার্যক্রম বন্ধ গাজীপুরে ফ্রেন্ডস ফিল্ড স্পোর্টস সিটির শুভ উদ্বোধন জয়পুরহাটে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদল নেতা আদনান বহিষ্কার কুমিল্লা দেবিদ্বারের শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন ও সামরিক জাদুঘর ঘুরে দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ বালাঘাটার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৯ পরিবারকে জেলা প্রশাসনের সহায়তা মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী মাগুরা পৌরসভার প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ: বদলী হলেও।মাগুরা ছাড়ছেন না: দ্রুত অপসারণ দাবী

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড মামলার পথেই হাঁটছে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলা

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড মামলার পথেই হাঁটছে বাংলা নিউজ ডটকমের সাবেক জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও একাত্তর টিভির সাবেক উপজেলা সংবাদদাতা গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলা। দুই বছর গড়ালেও অগ্রগতি নেই বিচারের। তার প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পরিবারের। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সাংবাদিক নাদিমের বাড়িতে সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম ও তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য আব্দুল করিম সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ –এর চেয়ারম্যান/সেল প্রধান মোঃ খায়রুল আলম রফিক ও তার টিমের নিকট এ অভিযোগ করেন। মনিরা বেগম বলেন, আমার স্বামী হত্যায় সাধুরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল আলম ওরফে বাবু চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ২৭ জন খুনের সাথে জড়িত থাকলেও চার্জশিটে আনা হয়েছে মাত্র ৯ জনের নাম।
এতে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। যা আমাদের জন্য হুমকির কারণ।
এজন্য প্রকৃত আসামিদের নাম উল্লেখ করে নারাজি দিয়েছি। এখন আদালতে শুনানির অপেক্ষায় আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা অসহায়। আমাদের পাশে কেউ নেই। বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন এবং খোঁজ খবর রাখছেন। তাদের সাহসেই এগিয়ে যাচ্ছি আমি। আমি আমার স্বামী হত্যার আসামিদের সর্বোচ্চ বিচার চাই।
এসময় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেন, ১৯৯২ সন থেকে এ পর্যন্ত ৬৯ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ বিচার না হওয়ায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুর স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার সাহস পেয়েছে। শুধু তুহিনকে হত্যা করার পরই সারা সাংবাদিক সমাজ কেঁদেছেন। কেঁদেছেন দেশের মানুষও। বকশীগঞ্জের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। হত্যাকারীরা সবাই পেশাদার কিলার। এদেরকে রক্ষা ও আড়াল করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা বার বারই নাটক তৈরি করছেন।
যেমনটা সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে তদন্তের নামে ১২৫ বার পিছিয়েছে। এমনটা যেন নাদিম হত্যাকাণ্ডে না ঘটে। এরকম হলে সারাদেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি দেবেন সাংবাদিক সমাজ।
এ ব্যাপারে তদারকি করার জন্য সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত করেন।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড মামলার পথেই হাঁটছে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলা

আপডেট টাইম : ০৭:০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড মামলার পথেই হাঁটছে বাংলা নিউজ ডটকমের সাবেক জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও একাত্তর টিভির সাবেক উপজেলা সংবাদদাতা গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলা। দুই বছর গড়ালেও অগ্রগতি নেই বিচারের। তার প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পরিবারের। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সাংবাদিক নাদিমের বাড়িতে সরেজমিন পরিদর্শনে গেলে নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম ও তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য আব্দুল করিম সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ –এর চেয়ারম্যান/সেল প্রধান মোঃ খায়রুল আলম রফিক ও তার টিমের নিকট এ অভিযোগ করেন। মনিরা বেগম বলেন, আমার স্বামী হত্যায় সাধুরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল আলম ওরফে বাবু চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ২৭ জন খুনের সাথে জড়িত থাকলেও চার্জশিটে আনা হয়েছে মাত্র ৯ জনের নাম।
এতে প্রকৃত হত্যাকারীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। যা আমাদের জন্য হুমকির কারণ।
এজন্য প্রকৃত আসামিদের নাম উল্লেখ করে নারাজি দিয়েছি। এখন আদালতে শুনানির অপেক্ষায় আছে। তিনি আরও বলেন, আমরা অসহায়। আমাদের পাশে কেউ নেই। বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন এবং খোঁজ খবর রাখছেন। তাদের সাহসেই এগিয়ে যাচ্ছি আমি। আমি আমার স্বামী হত্যার আসামিদের সর্বোচ্চ বিচার চাই।
এসময় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেন, ১৯৯২ সন থেকে এ পর্যন্ত ৬৯ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ বিচার না হওয়ায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুর স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার সাহস পেয়েছে। শুধু তুহিনকে হত্যা করার পরই সারা সাংবাদিক সমাজ কেঁদেছেন। কেঁদেছেন দেশের মানুষও। বকশীগঞ্জের সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। হত্যাকারীরা সবাই পেশাদার কিলার। এদেরকে রক্ষা ও আড়াল করতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা বার বারই নাটক তৈরি করছেন।
যেমনটা সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে তদন্তের নামে ১২৫ বার পিছিয়েছে। এমনটা যেন নাদিম হত্যাকাণ্ডে না ঘটে। এরকম হলে সারাদেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি দেবেন সাংবাদিক সমাজ।
এ ব্যাপারে তদারকি করার জন্য সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত করেন।


প্রিন্ট