ঢাকা ০৯:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মৎস্য সুরক্ষায় ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে ২২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ ঝালকাঠির বাসন্ডা সেতু ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার এক দশক পেরিয়েও নতুন সেতু নেই পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান দখলবাজ ড্যাফোডিল মান্নানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের স্থিতাবস্থা আদেশ অমান্যের অভিযোগ, দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি এলাকাবাসীর  বিচারকের ছোড়া পেপার ওয়েটে আহত নারী আইনজীবী, প্রশ্নের মুখে আদালতের শৃঙ্খলা স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে- মির্জা ফখরুল ইসলাম সিরাজদিখানে কৃষক কার্ড বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ও ৪’শ কৃষকের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ঝালকাঠিতে অবৈধ বালু সরবরাহে ৪ বাল্কহেড জাহাজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেলের নতুন সভাপতি মঞ্জুরুল করিম রনি আশ শিফা দিয়ামনি ই কমিউনিকেশন স্টার অ্যাওয়ার্ড এ পুরস্কৃত হলেন খন্দকার রুহুল আমিন সিআইপি

মৎস্য সুরক্ষায় ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে ২২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

এইচ এম আব্দুল কুদ্দুস খোকন, ঝালকাঠি |
দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ২২ হাজার মিটার অবৈধ মাছ ধরার জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বাসন্ডা নদীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেগুফতা মেহনাজ এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নৌ পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে নদী থেকে প্রায় ৪ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ১০টি নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ জাল এবং ১৮ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ২টি ‘বাঁধা জাল’ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

পরে জব্দ করা জালগুলো ঝালকাঠি শহরের গুরুধাম এলাকায় নিয়ে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়, যাতে এগুলো পুনরায় ব্যবহার করা না যায়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ বলেন, “দেশীয় মাছের প্রজনন, জলজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ক্ষতিকর অবৈধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ কর্মসূচির আওতায় জেলার নদ-নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জাল, নিষিদ্ধ মাছ শিকার এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: এনামুল হক জানান, নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ ও ‘বাঁধা জাল’ ব্যবহারের ফলে মাছের ডিম, পোনা ও ছোট মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও জলজ পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এ কারণে এসব জালের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মৎস্য সুরক্ষায় ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে ২২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

মৎস্য সুরক্ষায় ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে ২২ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ

আপডেট টাইম : ০১:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

এইচ এম আব্দুল কুদ্দুস খোকন, ঝালকাঠি |
দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা নদীতে পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রায় আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ২২ হাজার মিটার অবৈধ মাছ ধরার জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে বাসন্ডা নদীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেগুফতা মেহনাজ এবং সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সাইয়্যেদা। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নৌ পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অভিযানে নদী থেকে প্রায় ৪ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ১০টি নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ জাল এবং ১৮ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যের ২টি ‘বাঁধা জাল’ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত জালগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

পরে জব্দ করা জালগুলো ঝালকাঠি শহরের গুরুধাম এলাকায় নিয়ে প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়, যাতে এগুলো পুনরায় ব্যবহার করা না যায়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ বলেন, “দেশীয় মাছের প্রজনন, জলজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ক্ষতিকর অবৈধ জালের ব্যবহার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

তিনি আরও জানান, ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ কর্মসূচির আওতায় জেলার নদ-নদী ও জলাশয়ে অবৈধ জাল, নিষিদ্ধ মাছ শিকার এবং অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের যৌথ অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: এনামুল হক জানান, নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারী’ ও ‘বাঁধা জাল’ ব্যবহারের ফলে মাছের ডিম, পোনা ও ছোট মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় মাছের উৎপাদন ও জলজ পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে। এ কারণে এসব জালের ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


প্রিন্ট