ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন মিরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সুমনসহ গ্রেপ্তার ২ সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম?

বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন

গাজীপুর প্রতিনিধি |
ভারতের নয়াদিল্লিতে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রপস রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর দি সেমি-অ্যারিড ট্রপিক্স (ICRISAT) এবং দি সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ইন এগ্রিকালচার (ISSCA আয়োজিত ড্রাইল্যান্ড কংগ্রেস-২০২৬ এ ফসল উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রযুক্তি বিভাগে মর্যাদাপূর্ণ আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কে প্রদান করা হয়। বারি’র বিশেষ উদ্ভাবন “বারি চিনাবাদাম-৯ (বাংলাদেশের চিনাবাদামের জাত)”-এর স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

গ্লোবাল সাউথের (বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহ) বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিযোগিতামূলক মনোনয়ন থেকে ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকার জন্য বারি চিনাবাদাম-৯-কে নির্বাচন করা হয়। প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই স্থানীয় জাতটি কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং শুষ্ক অঞ্চলের কৃষকদের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ISSCA গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডস মূলত সেইসব প্রমাণিত কৃষি উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি দেয়, যা ব্যাপকভাবে গ্রহণের সুযোগ এবং অন্য দেশে প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে। বারি চিনাবাদাম-৯ বিজ্ঞানভিত্তিক ফসল উন্নয়ন জলবায়ু ও মাটির প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া প্রান্তিক কৃষক সমাজকে সরাসরি ক্ষমতায়িত করতে পারে। বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির বলেন, এই পুরস্কারটি আমাদের গবেষণার উৎকর্ষতার প্রতীক। বারি চিনাবাদাম-৯ প্রমাণ করেছে যে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী কৃষি গবেষণা শুষ্ক অঞ্চলের উৎপাদনশীলতা বদলে দিতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আমাদের কৃষক সমাজকে শক্তিশালী করতে আমরা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই স্বীকৃতি সাউথ-সাউথ সহযোগিতায় (উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সহায়তা) বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদানকে তুলে ধরে এবং কীভাবে জাতীয় কৃষি গবেষণা ব্যবস্থাগুলো বিভিন্ন উন্নয়নশীল অঞ্চলে বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান শেয়ার করতে পারে তা প্রদর্শন করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) দেশের সর্ববৃহৎ বহুমুখী ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি কন্দাল ফসল, ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি, ফল ও মসলাসহ ২১২ টিরও বেশি ফসলের ওপর গবেষণা পরিচালনা করে। জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চফলনশীল, জলবায়ু-সহনশীল ফসলের জাত এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বারি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ

বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন

আপডেট টাইম : ০৪:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি |
ভারতের নয়াদিল্লিতে দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রপস রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর দি সেমি-অ্যারিড ট্রপিক্স (ICRISAT) এবং দি সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন ইন এগ্রিকালচার (ISSCA আয়োজিত ড্রাইল্যান্ড কংগ্রেস-২০২৬ এ ফসল উন্নয়ন ও উৎপাদন প্রযুক্তি বিভাগে মর্যাদাপূর্ণ আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কে প্রদান করা হয়। বারি’র বিশেষ উদ্ভাবন “বারি চিনাবাদাম-৯ (বাংলাদেশের চিনাবাদামের জাত)”-এর স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

গ্লোবাল সাউথের (বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহ) বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিযোগিতামূলক মনোনয়ন থেকে ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকার জন্য বারি চিনাবাদাম-৯-কে নির্বাচন করা হয়। প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করার ক্ষমতাসম্পন্ন এই স্থানীয় জাতটি কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং শুষ্ক অঞ্চলের কৃষকদের জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ISSCA গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ডস মূলত সেইসব প্রমাণিত কৃষি উদ্ভাবনকে স্বীকৃতি দেয়, যা ব্যাপকভাবে গ্রহণের সুযোগ এবং অন্য দেশে প্রয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করে। বারি চিনাবাদাম-৯ বিজ্ঞানভিত্তিক ফসল উন্নয়ন জলবায়ু ও মাটির প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া প্রান্তিক কৃষক সমাজকে সরাসরি ক্ষমতায়িত করতে পারে। বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির বলেন, এই পুরস্কারটি আমাদের গবেষণার উৎকর্ষতার প্রতীক। বারি চিনাবাদাম-৯ প্রমাণ করেছে যে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী কৃষি গবেষণা শুষ্ক অঞ্চলের উৎপাদনশীলতা বদলে দিতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আমাদের কৃষক সমাজকে শক্তিশালী করতে আমরা উদ্ভাবনী প্রযুক্তি বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই স্বীকৃতি সাউথ-সাউথ সহযোগিতায় (উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সহায়তা) বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদানকে তুলে ধরে এবং কীভাবে জাতীয় কৃষি গবেষণা ব্যবস্থাগুলো বিভিন্ন উন্নয়নশীল অঞ্চলে বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান শেয়ার করতে পারে তা প্রদর্শন করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) দেশের সর্ববৃহৎ বহুমুখী ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি কন্দাল ফসল, ডাল, তেলবীজ, শাকসবজি, ফল ও মসলাসহ ২১২ টিরও বেশি ফসলের ওপর গবেষণা পরিচালনা করে। জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উচ্চফলনশীল, জলবায়ু-সহনশীল ফসলের জাত এবং টেকসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বারি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


প্রিন্ট