ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন মিরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সুমনসহ গ্রেপ্তার ২ সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম? বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

মিরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সুমনসহ গ্রেপ্তার ২

স্টাফ রিপোর্টার |
রাজধানীর মিরপুর দারুসসালাম থানাধীন আনসার ক্যাম্প টোলারবাগ ডেল্টা মেডিকেল কলেজ এর অপর পাশে এবং Rab ৪ এর সামনের প্রধান সড়ক দখল করে কাঁচাবাজার বসিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাঁদাবাজি করে আসছে একটি চক্র। আজ একজন ভুক্তভোগী চাঁদাবাজির অভিযোগ

৯৯৯-এ ফোনে পুলিশ গিয়ে ছাত্রদল নেতা সুমনকে পুলিশের দেন এ বিষয়ে  মামলা ঠেকাতে এবং  বাদীপক্ষকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

রাজধানীর দারুসসালাম থানাধীন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আনসার ক্যাম্প মাছ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৮ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করা হতো। এ টাকা একটি নারীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরে বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ-বাটোয়ারা করা হতো বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাছ বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই চাঁদা আদায়ের একটি ব্যবস্থা চলছিল। প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার টাকা করে চাঁদা সংগ্রহ করা হতো। এসব টাকা একটি নারীর মাধ্যমে সংগ্রহের পর দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওমর নাঈমসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে ভাগ-বাটোয়ারা করে দেওয়া হতো—এমন অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও ঘটনার প্রকৃত সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে সুমনকে আটকের পর বাদীপক্ষ থানায় মামলা করতে গেলে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওমর নাঈম এবং মিরপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিক দলবল নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা বা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য বাদীপক্ষকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অভিযোগ, বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বা অভিযোগকারীকে ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে দারুসসালাম থানা পুলিশের বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, মারধরের ঘটনা এবং থানায় গিয়ে বাদীপক্ষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ—প্রতিটি বিষয় আলাদাভাবে তদন্ত করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তির বিষয়টিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

“দ্বিতীয় পর্বে আরো থাকছে কোন নেতা কত % ভাগ পায় নিয়ে বিস্তারিত”


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মিরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সুমনসহ গ্রেপ্তার ২

আপডেট টাইম : ০৪:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার |
রাজধানীর মিরপুর দারুসসালাম থানাধীন আনসার ক্যাম্প টোলারবাগ ডেল্টা মেডিকেল কলেজ এর অপর পাশে এবং Rab ৪ এর সামনের প্রধান সড়ক দখল করে কাঁচাবাজার বসিয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাঁদাবাজি করে আসছে একটি চক্র। আজ একজন ভুক্তভোগী চাঁদাবাজির অভিযোগ

৯৯৯-এ ফোনে পুলিশ গিয়ে ছাত্রদল নেতা সুমনকে পুলিশের দেন এ বিষয়ে  মামলা ঠেকাতে এবং  বাদীপক্ষকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে।

রাজধানীর দারুসসালাম থানাধীন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের আনসার ক্যাম্প মাছ বাজারে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ৮ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করা হতো। এ টাকা একটি নারীর মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরে বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগ-বাটোয়ারা করা হতো বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বশেষ চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে এক নারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী পক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ১২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগকারী পক্ষের দাবি।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাছ বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই চাঁদা আদায়ের একটি ব্যবস্থা চলছিল। প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার টাকা করে চাঁদা সংগ্রহ করা হতো। এসব টাকা একটি নারীর মাধ্যমে সংগ্রহের পর দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওমর নাঈমসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে ভাগ-বাটোয়ারা করে দেওয়া হতো—এমন অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও ঘটনার প্রকৃত সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে সুমনকে আটকের পর বাদীপক্ষ থানায় মামলা করতে গেলে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ওমর নাঈম এবং মিরপুর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশিক দলবল নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলা বা অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য বাদীপক্ষকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অভিযোগ, বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বা অভিযোগকারীকে ভয়ভীতি দেখাতে না পারে, সে বিষয়েও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঘটনার বিষয়ে দারুসসালাম থানা পুলিশের বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, মারধরের ঘটনা এবং থানায় গিয়ে বাদীপক্ষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ—প্রতিটি বিষয় আলাদাভাবে তদন্ত করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তির বিষয়টিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

“দ্বিতীয় পর্বে আরো থাকছে কোন নেতা কত % ভাগ পায় নিয়ে বিস্তারিত”


প্রিন্ট