ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন সিদ্ধিরগঞ্জে আইবিডব্লিউএফের বস্ত্র ব্যবসায়ী থানা কমিটি গঠন প্রেমের সম্পর্ক থেকে ধর্ষণের অভিযোগ, এনসিপি নেতাকে অব্যাহতি বারি’র আইএসএসসিএ গ্লোবাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ অর্জন কালিহাতীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ ঈশ্বরদীতে জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে এক ডজন মামলা: আতঙ্কে এলাকাবাসী, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন মুরাদনগরে সম্পত্তির দ্বন্দ্বে ভাইয়ের হাতে বোন-ভাতিজা খু/ন মিরপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা সুমনসহ গ্রেপ্তার ২ সিন্ডিকেটের সুবিধা দিতেই কি পেট্রোবাংলার ৩০% জামানতের কড়া নিয়ম?

মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় যোগদানের মাত্র তিন মাসের মধ্যে নানা অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়ার অভিযোগে বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের দ্রুত অপসারণ ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মুরাদনগরের ভুক্তভোগী জনতা।
​সোমবার সকালে মুরাদনগর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রেশরের কার্যালয়ের সামনে ‘ভুক্তভোগীরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেন। মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ, দলিল লেখক ও স্থানীয় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসান যোগদানের পর থেকেই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। জমির শ্রেণি পরিবর্তন, ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি, কিংবা সাধারণ জমি হস্তান্তরের প্রতিটি ধাপে তাকে নির্দিষ্ট অঙ্কের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হয়। ঘুষের টাকা না দিলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও ফাইল আটকে রাখা নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ৯০ দিনের মধ্যেই তিনি নজিরবিহীন ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

বক্তারা বলেন, “একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন অপকর্ম পুরো উপজেলার প্রশাসনিক ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী জনতা আর এই অত্যাচার সহ্য করবে না।”
​কর্মসূচি থেকে দুর্নীতিবাজ সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে দ্রুত মুরাদনগর থেকে প্রত্যাহার এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর ও কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন ভুক্তভোগী জনতা।

জেলা রেজিষ্টার খালিদ মোহাম্মদ বিন আসাদ বলেন, পত্রিকার নিউজ পড়ে অভিযোগগুলো জেনিছি আজ তদন্তে এসে ভুক্তভোগীদের মুখেও সেইম অভিযোগ শোনেছি। আমরা উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানাবো তারা ব্যবস্থা নেবেন


প্রিন্ট
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওএমএস কার্যক্রমে নানান অনিয়মের অভিযোগ

মুরাদনগরে ৩ মাসেই দুর্নীতির রেকর্ড: বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : ০৫:০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি |
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় যোগদানের মাত্র তিন মাসের মধ্যে নানা অনিয়ম ও সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়ার অভিযোগে বিতর্কিত সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানের দ্রুত অপসারণ ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে মুরাদনগরের ভুক্তভোগী জনতা।
​সোমবার সকালে মুরাদনগর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রেশরের কার্যালয়ের সামনে ‘ভুক্তভোগীরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করেন। মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ, দলিল লেখক ও স্থানীয় নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদানকালে ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসান যোগদানের পর থেকেই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেছেন। জমির শ্রেণি পরিবর্তন, ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রি, কিংবা সাধারণ জমি হস্তান্তরের প্রতিটি ধাপে তাকে নির্দিষ্ট অঙ্কের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে হয়। ঘুষের টাকা না দিলে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি ও ফাইল আটকে রাখা নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাত্র ৯০ দিনের মধ্যেই তিনি নজিরবিহীন ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।

বক্তারা বলেন, “একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন অপকর্ম পুরো উপজেলার প্রশাসনিক ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করছে। ভুক্তভোগী জনতা আর এই অত্যাচার সহ্য করবে না।”
​কর্মসূচি থেকে দুর্নীতিবাজ সাব-রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে দ্রুত মুরাদনগর থেকে প্রত্যাহার এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর ও কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন ভুক্তভোগী জনতা।

জেলা রেজিষ্টার খালিদ মোহাম্মদ বিন আসাদ বলেন, পত্রিকার নিউজ পড়ে অভিযোগগুলো জেনিছি আজ তদন্তে এসে ভুক্তভোগীদের মুখেও সেইম অভিযোগ শোনেছি। আমরা উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে জানাবো তারা ব্যবস্থা নেবেন


প্রিন্ট